1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
কয়রায় জরাজীর্ণ গুচ্ছগ্রাম - Khulnar Khabor
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
লোহাগড়ায় বিধবার একমাত্র সন্তানের ন্যায্য ও আইনগত অধিকার ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন তেরখাদা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চমক দেখাতে পারে হাফেজে কুরআন আলহাজ্ব মাওলানা জাহিদুল ইসলাম দিঘলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে যুবলীগ সদস্যকে কুপিয়ে জখম অভিযানে টেকনাফে ইয়াবাসহ প্রাইভেট কার জব্দ সকাল সন্ধ্যা অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে কামাররা, ঈদুল আযহা ছাড়া নেই কাজের সুযোগ কেশবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে পোল্ট্রি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী যশোরে আগমন উপলক্ষে ঝিকরগাছা যুবদলের যৌথসভা কয়রায় সম্ভ্রান্ত পরিবারে চেতনা নাশক প্রয়োগে দুর্ধর্ষ চুরি: স্বর্ণালঙ্কারসহ সর্বস্ব লুট মোংলায় প্রকাশ্য দিবালোকে স্বামীকে মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের কয়রা ও সুন্দরবন সীমান্তে কোস্ট গার্ডের চিরুনি অভিযান: ২ জেলে উদ্ধার, অস্ত্রসহ আটক-১ র‍্যাব-৬ এর অভিযানে সাতক্ষীরা হতে ৪০৯ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে আটক বাগেরহাটে লক্ষ্মীখালী ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু ও এলজিইডির প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবে তেরখাদার জমি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কলমের আলো যশোর শহরের মুরুলী গ্যারেজে ট্রাকের বডি ওয়েল্ডিং সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক মিস্ত্রির মৃত্যু যশোরে হামিদপুর পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোরকে ছুরিকাঘাত হাসপাতালে ভর্তি নড়াইলে ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই, দর্শকের ঢল তেরখাদায় সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল সুন্দরবনে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’জিম্মি ২ জেলে উদ্ধার, অস্ত্রসহ ডাকাত আটক

কয়রায় জরাজীর্ণ গুচ্ছগ্রাম

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৪১ বার শেয়ার হয়েছে

জাহিদুল ইসলাম, কয়রা ( খুলনা) প্রতিনিধি|| কয়রায় ছয় বছর আগে তিনটি গুচ্ছগ্রামে ৪৫০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। নদীতীরে নির্মাণ করায় জলোচ্ছ্বাসে ঘরগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।

জোয়ারের সময় গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোতে পানি ঢুকে পড়ে। তাই ঘর ছেড়ে চলে গেছে কিছু পরিবার। সম্প্রতি কয়রা উপজেলার মঠবাড়ি গ্রামে
জোয়ারের সময় গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোতে পানি ঢুকে পড়ে। তাই ঘর ছেড়ে চলে গেছে কিছু পরিবার। সম্প্রতি কয়রা উপজেলার মঠবাড়ি গ্রামে
বসতভিটার ধসে পড়া মাটিতে কাদার প্রলেপ দিয়ে মেরামতের চেষ্টা করছিলেন রহিমা বেগম। পাশে দুজন শিশু মাটিভর্তি ঝুড়ি এগিয়ে দিচ্ছিল তাঁকে। কাছাকাছি পৌঁছাতেই ঘরের সামনে অচেনা মানুষ দেখে এগিয়ে আসেন রহিমা বেগম। বললেন, ‘আমাদের গুচ্ছগ্রামের মানুষেরে দেখতি আইছেন ভাই? সাহেবরা আসে শুধু ঘুইরে যায় আর আশ্বাস দেয়, কাজের কাজ কিচ্ছু হয় না। আমাদের ঘরের চাইতে গ্রামের মানুষের গরুর ঘর অনেক ভালো।’
কাদামাখা হাতের আঙুলের ইশারায় রহিমা বেগম ভাঙাচোরা ঘর দেখিয়ে বললেন, ‘জায়গাজমি না থাকায় মানুষির আনাছিকানাছি বাস করতাম। সরকারি ঘর পেয়ে মনে করিলাম একটু ভালোভাবে থাকতি পারবানে। কিন্তু তা আর হইল না। যাবার কোনো জায়গা না থাকায় কষ্ট করি এখনো গুচ্ছগ্রামে পড়ে আছি। কষ্ট করতি না পারি অনেক লোক চলি গেছে। আমরা যারা আছি তাগের দিকি কেউ খেয়াল করে না।’
৯ ফেব্রুয়ারি সকালে খুলনার কয়রা উপজেলার মঠবাড়ি গ্রামের কয়রা নদীর চরে নির্মিত গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পে গিয়ে কথা হয় বাসিন্দা রহিমা বেগমের সঙ্গে। রহিমা বেগমের মতো এমন দুরবস্থা খুলনার কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ নদ ও কয়রা নদীর চরে নির্মিত তিনটি গুচ্ছগ্রামের আট শতাধিক বাসিন্দা।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বসতভিটা হারানো ৪৫০ পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে খুলনার কয়রা উপজেলায় গড়ে তোলা হয় তিনটি গুচ্ছগ্রাম। গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-২–এর আওতায় গোবরা গ্রামে কপোতাক্ষ নদের চর ভরাট করে ২২০টি, মঠবাড়ি গ্রামের কয়রা নদীর চর ভরাট করে ১৭০টি এবং শেওড়াপাড়া গ্রামের কপোতাক্ষ নদের চর ভরাট করে নির্মাণ করা হয় ৬০টি ঘর। প্রকল্পের জায়গা ভরাট, ঘর নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, চুলা নির্মাণ, নলকূপ স্থাপন, পুকুরঘাট নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে সাড়ে সাত কোটি টাকার বেশি খরচ হয়।
তিনটি গুচ্ছগ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, নদীর চরে নির্মাণ করা গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের সমস্যা একই ধরনের। একটিতেও নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা। সব কটির নলকূপ নষ্ট। বিদ্যুতের খুঁটি ও তার থাকলেও অধিকাংশ ঘরে নেই বিদ্যুতের সংযোগ। জোয়ারের পানিতে ডুবে অধিকাংশ ঘরের মেঝে ও বারান্দার মাটি সরে গেছে। মরিচা ধরে টিনের বেড়া ফাঁকা হয়ে আছে। নেই যোগাযোগের রাস্তা। পানি জমে আছে কিছু ঘরের সামনে। এত সংকট নিয়ে সেখানে থাকতে চান না উপকারভোগীরা। এরই মধ্যে অনেকে চলে যাওয়ায় ফাঁকা পড়ে আছে শতাধিক ঘর।
সম্প্রতি কয়রার শেওড়াপাড়া গ্রামের কপোতাক্ষ নদের চরে নির্মিত গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের সামনে পৌঁছাতেই ছুটে আসেন বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ। নানা ধরনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন তাঁরা।
এই সময় শেওড়াপাড়া গ্রামের গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা জাহানারা বেগম বলেন, ‘এই ভাঙা ঘরে দুই ছেলেমেয়ে আর প্রতিবন্ধী স্বামীকে নিয়ে কষ্টে বাস করতিছি। নিজির গতর খাটায়ে আয় করে খাবার জোগাড় করতি হয়। অসুখ–বিসুখ লেগেই আছে। টাকার অভাবে চিকিৎসাও করাতি পারিনে। আমাদের তিন কুলি কেই নেই। যাবারও জাগা নাই।’
গুচ্ছগ্রামগুলোর ঘর সংস্কার করার বিষয়ে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুলী বিশ্বাস বলেন, ‘আমি নিজেও দেখেছি, গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। মানুষ থাকার মতো পরিবেশ নেই। তবে ঘরগুলো সংস্কারের জন্য এ মুহূর্তে কোনো অর্থ বরাদ্দ নেই। আমার হাতে বরাদ্দ থাকলে অন্তত মেঝেটা পাকা করে দিতাম। আমি ঘরগুলো মেরামত বা পুনর্নির্মাণের জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করব। একটি প্রাক্কলন তৈরি করে সেখানে পাঠাব।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।