মোঃ জসিম উদ্দিন তুহিন যশোর জেলা প্রতিনিধি।। যশোর যশোরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে মামলা তুলে নিতে বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী।
যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আক্তার দিয়া (২৫) নামের ওই নারী এই অভিযোগ করেন। তবে অভিযুক্ত পক্ষ একে সাজানো দাবি করে বলছে, ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে তাদের মানহানি করা হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সোনিয়া আক্তার দিয়া জানান, ২০১৪ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে যশোর শহরের চোপদারপাড়া এলাকার এহসান আহমেদ ফয়সালের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফয়সাল তাঁকে কুয়াকাটায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে গত বছরের ১৫ মে তিনি যশোর কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন।সোনিয়ার দাবি, মামলা করার পর ফয়সাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেন। তিনি রাজি না হওয়ায় ফয়সালের বাবা ও ভগ্নিপতি রিপনসহ অন্যরা তাঁকে জোরপূর্বক বিষ খাইয়ে রাস্তায় ফেলে দেন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সুস্থ হয়ে তিনি গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি হত্যাচেষ্টার মামলাও করেন। সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী অভিযোগ করেন,বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার নাম ব্যবহার করে তাঁকে এসিড নিক্ষেপ ও গুমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁর পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তাঁর বক্তব্যে কিছুটা অসংলগ্নতা দেখা যায়।অন্যদিকে, অভিযুক্ত ফয়সালের ভগ্নিপতি ব্যবসায়ী আইয়াজ উদ্দিন রিপন সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ওই নারী ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন।
টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আমাদের পরিবারের মানহানি করতে রাজনৈতিক নেতার নাম জড়িয়ে এসব বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন। এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রমাণ তাঁর কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।যশোরের চাঞ্চল্যকর এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।