1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
বর্ষায় ঘরে ঘরে জ্বর-কাশি, রোগের কারণ ও বাঁচতে করণীয় - Khulnar Khabor
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
অপরাধের মূল উৎপাটনে প্রশাসন ও জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে –জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যশোরের পাঁচ মুখ লোহাগড়ায় বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলার অভিযোগ কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে এক নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার দিঘলিয়া থানা আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর এক সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের জালে আটক বাগেরহাটের খানজাহান আলীর মাজারের দিঘি থেকে কুমির অপসারণ কেএমপি ডিবির সন্ত্রাসী ও মাদকবিরোধী অভিযান  দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন মো. সেলিম রেজা যশোরে নার্সারির ভেতরে গাঁজা গাছ ডিবির অভিযানে আটক ১ যশোরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমন আটক ডুমুরিয়ায় বেপরোয়া গতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে, নিহত- ১ কর দিতে হবেনা মোটরসাইকেল-অটোরিকশার- প্রধানমন্ত্রী ‎খান জাহান আলী (রঃ) মাজারে কুমির দিয়ে ব্যবসা বন্ধ হোক সাংবাদিক মোঃ শাহ্ নেওয়াজকে হুমকির অভিযোগ: তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি কয়রায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইকবালের বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের লুটপাটের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২০ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী বাগেরহাটের খান জাহান আলী মাজারে কুমিরে নেওয়া শিশুর দাফন সম্পন্ন

বর্ষায় ঘরে ঘরে জ্বর-কাশি, রোগের কারণ ও বাঁচতে করণীয়

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ২৩৬ বার শেয়ার হয়েছে

অদিতি সাহা, খুলনার খবর ||বর্ষাকাল মানেই হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া আর কাদাজলের নোংরা হওয়ার ঝামেলা। তবে বৃষ্টিতে ভিজতে চাওয়া মানুষের কাছে বর্ষাকাল পছন্দ।

কিংবা শ্রাবণের মেঘ ও বৃষ্টি দেখতে দেখতে কফিতে চুমুক দেওয়ার ব্যাপারটাও বড় অনুভব করেন কেউ কেউ। কেউ কেউ ইচ্ছে করেই ছাতা হাতে নেমে পড়েন, কখনো কখনো শীতল হতে একটু ভিজেও নেন শরীর।

আর বৃষ্টিতে ভিজে এই সময়ে জ্বর-সর্দি-কাশি বাঁধিয়ে ফেলেন অনেকে। মৌসুমটাই কিন্তু জ্বরের। ঠান্ডা-জ্বর থেকে শুরু করে ডেঙ্গুজ্বর, চিকুনগুনিয়া, টাইফয়েডের মতো রোগও ছড়ায় এ মৌসুমে।

মৌসুমি জ্বরের কারণ :

ভাইরাস সংক্রমণ : ভাইরাস সংক্রমণ, যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু), সাধারণ ঠান্ডা ভাইরাস এবং ডেঙ্গু জ্বর, মৌসুমি জ্বরের সবচেয়ে সাধারণ কারণ। এই ভাইরাসগুলো বর্ষার আর্দ্র ও আরামদায়ক পরিবেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ : টাইফয়েডের মতো ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, কলেরা এবং লেপ্টোস্পাইরোসিস বর্ষাকালেও সংকুচিত হতে পারে। দূষিত পানি এবং খাদ্য এই সংক্রমণের সাধারণ উৎস।

মশাবাহিত রোগ : মশা জমে থাকা পানিতে জন্মায়, যা বর্ষাকালে প্রচুর পরিমাণে থাকে। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি রোগ এই সময়ে প্রচলিত এবং উচ্চ জ্বর হতে পারে।

ছত্রাক সংক্রমণ : আর্দ্র অবস্থায় ছত্রাকের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যা দাদ এবং ক্রীড়াবিদদের পায়ের মতো ত্বকের সংক্রমণের দিকে পরিচালিত করে।

মৌসুমি জ্বরের লক্ষণ :

বর্ষার জ্বরের লক্ষণগুলো অন্তর্নিহিত কারণের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে – শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা, ঠান্ডা এবং কাঁপুনি, মাথাব্যথা এবং শরীর ব্যথা, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা, গলাব্যথা এবং কাশি, বমি বমি ভাব ও ডায়রিয়া (কিছু ক্ষেত্রে)।

বর্ষায় জ্বর থেকে দূরে থাকতে কী কী করণীয় :

প্রচুর পরিমাণে পানি পান : বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে এবং শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখে। জলবাহিত রোগ এড়াতে সেদ্ধ বা বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি বজায় : ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে। সাবান ও পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধুতে হবে, বিশেষ করে খাওয়ার আগে বা মুখ স্পর্শ করার আগে। থাকার ও শোয়ার জায়গা পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখতে হবে। কারণ স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর সহায়ক।

টাটকা রান্না করা খাবার খেতে হবে : বর্ষাকালে রাস্তার পাশের বিক্রেতাদের খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। স্বাস্থ্যকর অবস্থায় প্রস্তুত করা তাজা রান্না করা, গরম খাবার বেছে নেওয়াই কাম্য। ফল এবং শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে এবং সঠিকভাবে রান্না করা হয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে।

মশা নিরোধক ব্যবহার : বৃষ্টির সঙ্গে মশা আসে, যা ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়াতে পারে। মশা তাড়ানোর ওষুধ ছিটাতে হবে, ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার অবশ্যই জরুরি এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য লম্বা-হাতা পোশাক পরলে ভালো হয়।

পুষ্টিকর খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। ডায়েটে সাইট্রাস ফল, সবুজ শাক, দই এবং বাদাম জাতীয় খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

শুষ্ক ও উষ্ণ থাকা : বৃষ্টিতে ভিজতে মজা লাগতে পারে, এটি মূলত দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ভিজে যাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সর্বদা একটি ছাতা বা রেইনকোট বহন করতে হবে এবং মনে রাখবেন, ভিজে যাওয়ার পরে সর্দি এবং ফ্লু প্রতিরোধের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুকনো কাপড় পরিধান করতে হবে।

ঝড়-বৃষ্টির তথ্য জেনে রাখা : আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে আপডেট রাখতে হবে। বৃষ্টি কবে, কখন আসার সম্ভাবনা জেনেই ঘর থেকে বের হতে হবে। এই তথ্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং বর্ষাকালে নিরাপদ থাকতে সাহায্য করতে পারে।

যা করা যাবে না :

জমে থাকা পানি এড়িয়ে চলুন : জমে থাকা পানি মশা এবং অন্যান্য রোগ সৃষ্টিকারী জীবের প্রজনন ক্ষেত্র। জলাশয়ে বা দাঁড়িয়ে থাকা জলের মধ্য দিয়ে হাঁটা এড়িয়ে চলুন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনার থাকার জায়গার কাছে জল সংগ্রহ করার জন্য কোনো খোলা পাত্র নেই।

নিজে নিজে ওষুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন : আপনি যদি বর্ষাকালে জ্বর বা অসুস্থতার কোনো উপসর্গ অনুভব করেন, তাহলে নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য একজন যোগ্য স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

রাস্তার খাবারকে না বলুন : যত লোভনীয়ই হোক না কেন, বর্ষাকালে রাস্তার খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। খোলা জায়গায় প্রস্তুত করা খাবারের পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং।

উপসর্গ উপেক্ষা করবেন না : আপনি যদি জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, শরীরে ব্যথা বা অন্য কোনো অস্বস্তির মতো উপসর্গ অনুভব করেন, অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা অবস্থার অবনতি থেকে রক্ষা করতে পারে।

ভিড়ের জায়গা এড়িয়ে চলুন : বর্ষা মৌসুমে জনাকীর্ণ স্থানে ছোঁয়াচে রোগ দ্রুত ছড়াতে পারে। জনসমাগম এবং জনসমাবেশে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে চেষ্টা করুন।

কানে বা চোখে পানি ঢুকতে দেবেন না : জলবাহিত সংক্রমণ রোধ করতে, বৃষ্টির সময় আপনার কানে বা চোখে জল প্রবেশ করা এড়িয়ে চলুন। ইয়ারপ্লাগ পরুন এবং নোংরা হাতে আপনার চোখ ঘষা এড়িয়ে চলুন।

স্যাঁতসেঁতে জামাকাপড় এবং জুতোকে না বলুন : স্যাঁতসেঁতে কাপড় ও জুতা হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ এবং ত্বকের সমস্যা। আপনার জামাকাপড় সঠিকভাবে শুকিয়ে নিন এবং পা শুষ্ক রাখে এমন পাদুকা পরুন।

ব্যক্তিগত আইটেম শেয়ার করবেন না : তোয়ালে, রুমাল বা পাত্রের মতো ব্যক্তিগত জিনিস ভাগ করা এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে যদি আপনার পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়। এই ধরনের আইটেম শেয়ার করা সংক্রমণ সহজতর করতে পারে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।