খুলনা প্রতিনিধি।।খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ব্যক্তির ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি আনু:সাড়ে ১২ টার দিকে মাঝিরগাতী এলাকার বাসিন্দা অনিল পাত্রের পুত্র প্রদীপ পাএ, মৃত শামসুর শেখের পুত্র উজ্জ্বল শেখ, মৃত গফফারের পুত্র ইরান শেখ, আলামিন শেখ, আবালগাতী এলাকার বাসিন্দা মৃত: সাত্তার মুন্সির পুএ মারুফ মুন্সি,
বাজার থেকে ফেরার পথে আবালগাতী এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা কুবাত মুন্সির পুত্র তৈয়ব মুন্সি, সোহাগ মুন্সি, সুমন মুন্সি, কাজল মুন্সি সহ আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছিল।
গাজিরহাট ফেরিঘাট সংলগ্ন আবালগাতী এলাকায় পৌঁছামাত্রই দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এতে ইরান শেখ, আলামিন শেখ ও প্রদীপ পাত্র গুরুতর আহত হন। আহত উজ্জ্বল শেখ জানান এ সময় তৈয়ব মুন্সির কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এবং উজ্জ্বল শেখ ও ইরান শেখ এর কাছে থাকা ২ লাখ টাকা নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে প্রদীপ পাত্রের অবস্থা গুরুতর বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, পদ্মবিলা এলাকার তৈয়ব মুন্সি, সোহাগ মুন্সি, সুমন মুন্সি, কাজল মুন্সি সহ ৩০-৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।
তাদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মামলা, লুটপাট সহ নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। দিঘলিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে দিঘলিয়া থানার মাঝিরগাতী পুলিশ ক্যাম্পের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্যাম্প সূত্রে জানায় লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।