শরিফুল ইসলাম,খুলনা।।গতগকাল শনিবার (১৪ মার্চ) রাত থেকে দূরপাল্লা ও গণ-পরিবহনে তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়া হলেও তেলের সঙ্কট যেন কাটছেই না।খুলনার বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পই জ্বালানি সঙ্কটে বন্ধ রাখতে দেখা যায়। হাতেগোনা যে কয়েকটা ফিলিং স্টেশনে তেলের সরবরাহ রয়েছে সেখানেও গ্রাহকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
গণ-পরিবহনের জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে সরকার ইতোমধ্যে ঘোষনা দিলেও সঙ্কট যেন কাটছেই না। শনিবার মধ্যরাত থেকে গণ-পরিবহনে তেলের রেশনিং পদ্ধতি বাতিলের খবরে পাম্পগুলোতে এসে অপেক্ষা করে বাস-ট্রাকগুলো। তবে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে হতাশ হয়েই ফিরতে হচ্ছে চালকদের। বেশ কিছু পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরাও।
এদিকে খুলনাসহ ১৫ জেলায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিপণন স্বেচ্ছায় বন্ধ রেখেছেন ফিলিং স্টেশনের মালিকরা। চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগে গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে এই কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এরই মধ্যে খুলনার দৌলতপুরে অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখেছেন তারা।
শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা ট্যাংকলরি ওনার্স ভবনে জ্বালানি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট চারটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পাম্পের মালিকদের দাবি, গত কয়েক দিন ধরে প্রতিটি পাম্পের চাহিদার তুলনায় অর্ধেকের কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি ঠেকাতে তেল বিক্রির সীমা তুলে দেওয়া হলেও বাস্তবে নেই তার প্রতিফলন।ফিলিং স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় ভোগান্তির শিকার ঘরে ফেরা মানুষগুলো।
Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।