1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
শেখ পরিবারের প্রশ্রয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তুহিন এর অপসারণ দাবি - Khulnar Khabor
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
উদ্ধার হলো গোয়ালন্দ ঘাটে ডুবে যাওয়া বাস আবারও পদ্মায় বাস ডুবি, উদ্ধার কাজে হামজা অপরাধের মূল উৎপাটনে প্রশাসন ও জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে –জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যশোরের পাঁচ মুখ লোহাগড়ায় বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলার অভিযোগ কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে এক নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার দিঘলিয়া থানা আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর এক সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের জালে আটক বাগেরহাটের খানজাহান আলীর মাজারের দিঘি থেকে কুমির অপসারণ কেএমপি ডিবির সন্ত্রাসী ও মাদকবিরোধী অভিযান  দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন মো. সেলিম রেজা যশোরে নার্সারির ভেতরে গাঁজা গাছ ডিবির অভিযানে আটক ১ যশোরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমন আটক ডুমুরিয়ায় বেপরোয়া গতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে, নিহত- ১ কর দিতে হবেনা মোটরসাইকেল-অটোরিকশার- প্রধানমন্ত্রী ‎খান জাহান আলী (রঃ) মাজারে কুমির দিয়ে ব্যবসা বন্ধ হোক সাংবাদিক মোঃ শাহ্ নেওয়াজকে হুমকির অভিযোগ: তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি কয়রায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইকবালের বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের লুটপাটের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ

শেখ পরিবারের প্রশ্রয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তুহিন এর অপসারণ দাবি

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৯১ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর ||আওয়ামী লীগের দোসর, বহু মামলার আসামি, শেখ পরিবারের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ তুহিনুল ইসলাম তুহিনের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) গুটুদিয়ায় বিক্ষোভ করে মিষ্টি বিতরণ করেছেন চেয়ারম্যানের কাছের নির্যাতিতরা। তারা ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রেতাত্মা তুহিন চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবি জানান।

এর আগে ১৭ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) আদালতে আত্মসর্মপন করে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে খুলনা মহানগর শাখা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনার বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের মামলায় চেয়ারম্যান শেখ তুহিনুল ইসলাম তুহিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

চেয়ারম্যান কারাগারে থাকায় ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার নির্দেশনা চেয়ে ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমদাদুল হক রোববার (২০ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট চিঠি দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতার বিপরীতমুখী অবস্থানে থাকা গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ তুহিন সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান। ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনার বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের মামলার ৪৬ নম্বর আসামী তিনি।

তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আন্তজার্তিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল কর্মী রকিবুল হাসানকে হত্যার অভিযোগে তার পিতা রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ১৫৬ নম্বর আসামী তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাৎ হোসেন মোল্লা হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী এই তুহিন। এসব মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে অর্ন্তবর্তীকালিন জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত ১৭ এপ্রিল আদালতে আত্মসর্মপন করে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কারাগারে থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক গত রোববার (২০ এপ্রিল) ২০২৫/১১(২৮) নম্বর স্মারকে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর চিঠি লিখেছেন। ওই চিঠিতে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার নির্দেশনা চাওযা হয়েছে।

এছাড়া ইতোপূর্বে নির্বাচিত তিনজন প্যানেল চেয়ারম্যানের নামও উল্লেখ করেছেন ওই পত্রে। এলাকাবাসীর দাবী প্যানেল চেয়ারম্যানরা চেয়ারম্যান তুহিনের আজ্ঞাবহ। তারা যদি দায়িত্ব পায় তবে অদৃশ্যভাবে তুহিনের হাতেই থেকে যাবে ক্ষমতা।

তাই গুটুদিয়া ইউনিয়নে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কারাগারে বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে যদি প্যানেল চেয়ারম্যানদের নিয়ে কোন আপত্তি না থাকে তবে তাদের মধ্য থেকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। এতে জটিলতা হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রিয় সহ-সম্বয়ক ও খুলনা জেলার সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি গণমাধ্যম কে বলেন, শুধু গুটুদিয়ার চেয়ারম্যান নয়, খুলনায় বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৪০টি ইউনিয়নে এখনও পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের দোসর ও খুনী-সন্ত্রাসীরা চেয়ারম্যান হিসেবে বসে আছেন।

আমরা জেলা প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের বারবার এ বিষয়ে সতর্ক করতেছি, তারা আমাদের কথা শুনছে না। তারা এলাকার মানুষের কথায় কোনোরূপ কর্নপাত করছেন না। জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের অভ্যুন্থানের চেতনাবিরোধী এরূপ কার্যক্রমে আমরা চরমভাবে উদ্বিগ্ন।

কে এই তুহিন: ঢাকায় বিমান বন্দরে চুক্তিভিত্তিক নিরাপত্তা কর্মীর কাজ করতেন এই তুহিন। সেখানে নারী পাচারের সাথে যুক্ত হওয়ায় চাকরি যায় তার। খুলনা মহানগীর শেরেবাংলা রোডের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো পাঁচ ভাইয়ের বাড়ি শেখ বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ক্রমান্বয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন তুহিন। শেখ হেলাল, শেখ জুয়েল, শেখ সোহেল, শেখ রুবেল ও শেখ বেলালের ভাগ্নে পরিচয় দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা কাজী কামালের সাথে বন্ধুত্ব করেন গুটুদিয়াসহ খুলনার আশপাশের এলাকায়। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জুলুমের শিকার ওই এলাকার মানুষ।

ওয়ারিশ কাম সার্টিফিকেটের জন্য ঘুষ, জমি-খাল দখল, চাঁদাবাজি, বালু ও জমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আর সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ঠ সহচর ও অনুসারী এবং শেখ বাড়ির আত্মীয় পরিচয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তুহিন। ডুমুরিয়ার বাসিন্দা না হয়েও ভোটার হয়ে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ খুলনা জেলার সহ-সভাপতি তুহিন ২০২১ সালে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হন।

ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিটিং মিছিলে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। চেয়ারম্যান তুহিন টিআর, কাবিখা, জিআর, কাবিটা, ভিজিডি, এডিবি, এলজিএসপি, ইউপি ট্যাক্স নিজের মতো করে চালাতেন।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি নিজের খেয়ালখুশি মতো আদায় করতেন। ষড়যন্ত্র করে মানুষকে বিপদে ফেলে টাকা আদায় করতেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন কেউ তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পেতেন না।

গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১১ নং ইউপি সদস্য মো. ইজ্জত আলী মোড়লও চেয়ারম্যান তুহিনের এসব অপকর্মের সহযোগী ছিলেন।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।