1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
খুলনায় সড়ক-ড্রেনের উচ্চতায় বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতার আতঙ্কে নগরবাসী - Khulnar Khabor
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনকে গুলি দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যা ; ইসমাইল আটক কেশবপুরে সমাজে পিছিয়ে পড়া শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কেশবপুরে এমপি’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব সভাপতি”শাহীন”জেলা পর্যায় পুরস্কৃত হওয়ায় সংগঠনের পক্ষ্য থেকে অভিনন্দন আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের বিতর্কিত কমিটি, তদন্তে শ্রম দপ্তর মোরেলগঞ্জে ব্র্যান্ড নকল করে নিম্নমানের সেমাইয়ে সয়লাব বাজার মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকুতে শিশুরা কেশবপুরে হত দরিদ্র মহিলাদের মাঝে ৫০টি ছাগল বিতরণ করেন এমপি মোক্তার আলী ঝিকরগাছায় সেবা’র উদ্যোগে ৭০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শহীদ মিনারে রাকিব খুন: তদন্তে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য মোল্লাহাটে ভিজিএফের চাল বিতরণে ওজনে কম দেওয়ার অনিয়মের অভিযোগ কেশবপুরে শিশু নিলয় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত তেরখাদায় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার প্রতিনিধিদের মাঝে ইফতার ( খেজুর ) বিতরণ তেরখাদায় আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত খুলনার দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসিকুল আনাম রাসুকে গুলি করে হত্যা যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন দেলোয়ার হোসেন খোকন যশোরে রিকশাচালককে হত্যা করে রিকশা ছিনতাই পবিত্র লাইলাতুল কদর: হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ এক মহিমান্বিত রাত

খুলনায় সড়ক-ড্রেনের উচ্চতায় বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতার আতঙ্কে নগরবাসী

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫৩ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর ||সড়ক ও ড্রেনের উচ্চতা ৩ থেকে ৪ ফুট বেড়ে যাওয়ায় নিচু হয়ে গেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

খুলনায় উন্নয়নের নামে প্রতিনিয়ত উঁচু হচ্ছে সড়ক ও ড্রেন। তবে তাতে বাড়ছে না জলাবদ্ধতা নিরসনের সম্ভাবনা। বরং আগামী বর্ষায় নাগরিক দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা নগরবাসীর।

খুলনা নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসন ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের নামে সড়ক ও ড্রেনের উচ্চতা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। কিন্তু এই উন্নয়ন এখনই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয়দের কাছে। বর্ষা আসার আগেই অনেক এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উচ্চতা আশেপাশের বাড়িঘর ও দোকানপাটের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত বেশি হয়ে গেছে। ফলে বাসিন্দাদের প্রবেশপথ প্রাচীর দিয়ে আটকে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে দক্ষিণ পাবলার কেশব লাল সড়কে এমন চিত্র চোখে পড়ে, যেখানে একসময় সমান উচ্চতায় থাকা বাড়ির গেট এখন অনেক নীচু হয়ে গেছে, আর রাস্তা যেন দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু এই সড়ক নয়, নগরীর দৌলতপুর, খালিশপুর, হেলাতলাসহ অনেক এলাকায় একই অবস্থা।

২০১৯ সালে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় ৮২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯২টি ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ শুরু করে, যার আওতায় স্লুইসগেট ও পাম্প বসানো, খাল পুনঃখননসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনা ও বাস্তবতার মাঝে বড় ফারাক রয়েছে। রাস্তা ও ড্রেন এত উঁচু করা হয়েছে যে আশেপাশের শত শত বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নীচু হয়ে পড়েছে।

বর্ষা মৌসুমে এসব নীচু স্থানে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা এখন প্রবল। অনেক দোকানে এখন সিঁড়ি বসাতে হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা প্রবেশ করতে পারেন। স্থানীয়দের প্রশ্ন এই উন্নয়ন আসলে কার জন্য? নাগরিক দুর্ভোগ বাড়িয়ে উন্নয়ন কি কার্যকর হতে পারে?

নগর পরিকল্পনাবিদ ও গবেষকদের মতে, এভাবে সমন্বয়হীনভাবে উন্নয়ন কাজ চালালে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান তো আসবেই না, বরং সমস্যা আরও জটিল হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রামীণ ও নগর পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশিক উর রহমান বলেন, পরিকল্পিত সমন্বয় ছাড়া এমন উন্নয়ন টেকসই নয়।

বরং ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আরও বড় বিপর্যয়ের জন্ম দিতে পারে। একই কথা বলেছেন লেখক ও নগর পরিকল্পনাবিদ গৌরাঙ্গ নন্দী। তিনি বলেন, এ ধরনের উন্নয়ন প্রকৃতির সঙ্গে বৈরিতা তৈরি করে এবং দুর্ভোগ বাড়ায়।

যদিও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ মাসুদ করিম ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম দাবি করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এসব কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং প্রকল্প শেষ হলে সুফল পাবে নগরবাসী।

কেসিসির তথ্য মতে, ২০১০ সালে ‘শেল টেক’ ও ‘হাউজ অব কনসালটেন্ট লিমিটেড’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠান খুলনার ১ হাজার ২০৫ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থার যে উন্নয়ন নকশা তৈরি করেছিল, বর্তমান বাস্তবতায় তার যথাযথ প্রয়োগ নিয়েই সন্দেহ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে খুলনায় উন্নয়নের নামে যে কাজ চলছে, তা জনজীবনে স্বস্তি নয়, বরং নতুন করে দুর্ভোগের হুমকি হয়ে উঠছে বলে দাবি তাদের।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।