1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
দাকোপে আওয়ামী ইউপি চেয়ারম্যান জালালের অপসারণ দাবি - Khulnar Khabor
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

দাকোপে আওয়ামী ইউপি চেয়ারম্যান জালালের অপসারণ দাবি

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৬ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর।।খুলনার দাকোপ উপজেলার তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন গাজীর অপসারণ দাবি করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) খুলনা জেলা প্রশাসক এবং রবিবার (৭ ডিসেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করে আবেদন করেছেন ৭নং তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ।

লিখিত আবেদনে তারা বলেন, জনসাধারণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে আর্জিত ২৪শের নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোষর তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন গাজী মোটা অংকের আর্থিক লেনদেন করে নিজেদের চেয়ার টিকিয়ে রেখেছে। আওয়ামী স্টাইলে দিনের ভোট রাতে করে একাধিকবার চেয়ারম্যানের চেয়ার দখল শুধুই নয় সিলেকশন প্যানেল চেয়ারম্যানসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে মেম্বারের চেয়ারে বসিয়ে ইউনিয়ন পরিষদকে পরিবার পরিষদ তৈরি করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছরে তিনি ও তার পরিবার গড়ে তুলেছেন এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, যার শিকড়ে মিশে আছে রাজনীতি, অর্থ এবং ভয়ভীতি। বিগত দিনে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে রাজনৈতিক মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজস্ব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত ভাবে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিন্ম মানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে একাধিকবার জনসাধারণের কাছে অবরুদ্ধ হয়েছেন। এমন কি চলমান উন্নয়ন কাজ বন্ধ করতেও বাধ্য হোন। পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে পুনরায় কাজ সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছে। এ সকল কাজ তার ছেলে দাকোপ উপজেলা যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম করে আসছেন।

তিনি বয়স্ক ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ সহ সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সব দলীয় পরিচয় দেখে বন্টন করছে। তার সিন্ডিকেট সদস্যের মধ্যে আওয়ামী পদধারী নিবোদ গাইনের ছেলে মকুল গাইন, দিনোবন্দ মন্ডলের ছেলে ইন্দ্র কিশোর মন্ডল, সুবোধ মিস্ত্রীর ছেলে সুশিল মিস্ত্রীসহ কয়েকজনের রয়েছে। এই সিন্ডিকেট গ্রুপের কাছে ইউনিয়নের জনসাধারণকে জিম্মি করে রেখেছে। জালাল উদ্দীনের দাপটে এক প্রকার তাহার হাতে জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন ইউনিয়নবাসী। জালাল উদ্দীনকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ করার দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ ১৭ বছরে জালাল উদ্দীন ও তার পরিবার গড়ে তুলেছেন এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট—যার শিকড়ে মিশে আছে রাজনীতি, অর্থ এবং ভয়ভীতি। এলাকাবাসীর একাংশ দাবি করছে, এই পরিবার এখনো টিকে আছে ‘রাতের ভোটের’ ফল হিসেবে, এবং তারা নয়া বাংলাদেশে পুরনো শাসনের প্রতিচ্ছবি বহন করছে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ নতুন কিছু নয়।

২০১০ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় অর্ধশত বিঘা জমি জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ এবং পরে তাদের দেশত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান গাজীর বিরুদ্ধে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখনো ফিরতে পারেনি নিজ ভিটেমাটিতে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য ঘটনা প্রকাশের দাবী জানান। গুঞ্জন উঠেছে পাইকগাছার জহুরুল হক সরদারের ওয়ারেশকে ফাঁকি দিয়ে বিশাল এলাকা গড়ে তুলেছেন। জমি এখন জালালাবাদ নামে পরিচিত একটি এলাকা। যেখানে নিয়মের তোয়াক্কা না করে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ দেয়ার অভিযোগে ইউনিয়নবাসী পরিষদে চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীনকে অবরুদ্ধ করে রাখে পরিষদে।

চেয়ারম্যান গাজীর নিজস্ব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিতভাবে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পেয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজের বেশিরভাগই নিয়েছেন নিজের ছেলে যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলামের নামে। কাজের কমিশন পৌঁছাত শেখ পরিবারের নির্দিষ্ট ঠিকানায়—এমনটাই দাবি করেছেন একাধিক স্থানীয় ঠিকাদার।

জানা গেছে, সাবেক ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী এমপি ননী গোপালের অর্থদাতা এবং ‘অঘোষিত পরামর্শক’ ছিলেন জালাল গাজী। শেখ পরিবারের ছত্রছায়ায় তার চেয়ারম্যান হওয়াও ছিল অনেকে ‘নির্ধারিত’ বলেই মনে করেন। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো লিখিত প্রমাণ সামনে আসেনি। তবে সোস্যাল মিডিয়ায় আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে ছবি পোস্ট করে নিজেদের অবস্থান জানান দিতেন। যে সকল ছবি এলাকার জনসাধারণ কাছে প্রমাণ স্বরূপ রয়েছে।

এ বিষয়ে জালাল উদ্দীনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি কখনো আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। থাকলে তো বাড়ি ঘরে থাকতে পারতাম না। ৫ আগস্টের পর গাঁ ঢাকা দিতাম। এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখেন আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ঠিক না। তবে সম্প্রতি কিছু উশৃংখল লোকজন পরিষদে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তা তাৎক্ষণিক মেম্বারদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।