1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
‎খুলনায় নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্মাণ কাজ শেষের পথে - Khulnar Khabor
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

‎খুলনায় নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্মাণ কাজ শেষের পথে

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৭৭ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর।।খুলনায় নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী অক্টোবরের মধ্যে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে এটি হস্তান্তর করার চেষ্টা চলছে। আগের কারাগারটি শতবর্ষী পুরোনো ও অতিরিক্ত জনাকীর্ণ। নতুন কারাগারটি একটি বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্প, যা আধুনিক অবকাঠামো ও ধারণক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে কারাবন্দি ও কারারক্ষীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারাগারটির ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।

‎খুলনা গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) জানিয়েছে, শেষ পর্যায়ের নির্মাণ কাজ ধারাবাহিক গতিতে চলছে। সম্প্রতি নির্মাণস্থল পরিদর্শনকালে খুলনা কারাগারের  জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান এবং জেলার মুহাম্মদ মুনীর হোসাইন ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান প্রকল্পের বিলম্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে কারাগারটি আমাদের বুঝে নেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পিডব্লিউডি সময়মতো কাজ শেষ করতে পারেনি। হস্তান্তর সম্পন্ন হলে এবং কর্মী নিয়োগ হলে আমরা বন্দিদের স্থানান্তর শুরু করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অক্টোবরের মধ্যে কারাগারটি হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়েছি।’

‎গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম বিলম্বের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ২৫ মে হস্তান্তরের তারিখ নির্ধারিত ছিল। ঠিকাদারের সমস্যার কারণে সময়মতো নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা আগস্ট শেষে বা সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সব রকমের চেষ্টা করছি।’ ২০১১ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৪৪ কোটি টাকার প্রাথমিক বাজেট এবং ২০১৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময়সীমা দিয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন করে। এরপর একাধিকবার সময়সীমা বাড়ানো এবং দু’বার বাজেট সংশোধনের পর বর্তমানে প্রকল্পের খরচ ২৮৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

‎বর্তমানে পুরোনো খুলনা কারাগারটি ১৯১২ সালে ভৈরব নদীর তীরে নির্মিত। কারাগারটি মূলত ৬৭৮ জন বন্দির ধারণক্ষমতা নিয়ে তৈরি করা হলেও বর্তমানে এখানে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি বন্দি রয়েছে। তাছাড়া, কারাগারের পুরোনো এই কাঠামোটি নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্যও অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। নতুন কারাগার কমপ্লেক্সটি খুলনা সিটি বাইপাস (রূপসা ব্রিজ রোড) বরাবর ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে। এটি ৪ হাজার বন্দির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলেও, বর্তমান অবকাঠামোতে ২ হাজার বন্দি থাকতে পারবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও ভবন নির্মাণ করা হবে।

‎স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, নতুন কমপ্লেক্সটি একটি আধুনিক আবাসিক এলাকার মতো দেখাচ্ছে, যেখানে টাইলসযুক্ত হাঁটার পথ, সাজানো বাগান ও নতুন রং করা ভবন রয়েছে। এখানে মোট ৫২টি ভবন নির্মিত হয়েছে। নতুন কারাগারটিতে বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য আলাদা ইউনিট, অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যারাক এবং নারী বন্দিদের জন্য হাসপাতাল, কাজের জায়গা ও একটি মোটিভেশন কেন্দ্রসহ আলাদা অংশ রয়েছে। এছাড়া, এখানে ৫০ শয্যার একটি সাধারণ হাসপাতাল, কারা কর্মীদের সন্তানদের জন্য একটি স্কুল, একটি গ্রন্থাগার, ডাইনিং হল, সেলুন ও লন্ড্রি সুবিধাও রয়েছে। শিশুসহ নারী বন্দিদের জন্য একটি বিশেষ ওয়ার্ড ও ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে, যেখানে শিক্ষা ও বিনোদনের ব্যবস্থা আছে। পুরুষ ও মহিলা উভয় বন্দির জন্যই আলাদা নামাজের ঘর, কাজের জায়গা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের স্থান রয়েছে।

‎গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মূল কাঠামোগত কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে চূড়ান্ত রং করা ও ভেতরের ফিনিশিং কাজ। তিনি আরও জানান, প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে এবং কমপ্লেক্সে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সৌর বিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।

‎জেল সুপার প্রধান জানান, নতুন কারাগারের জন্য ৬০০ কর্মী নিয়োগের অনুরোধ করা হয়েছে। পুরোনো কারাগারে বর্তমানে প্রায় ২০০ কর্মী রয়েছেন। নতুন কারাগারটি চালু হলে ধাপে ধাপে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হবে। প্রকল্পটি প্রায় শেষ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি (জিকেডিএসিসি)’র সভাপতি শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘বর্তমান কারাগারটি অতিরিক্ত জনাকীর্ণ এবং এতে মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে। এই নতুন কমপ্লেক্সটি আমাদের বহু দিনের দাবি পূরণ করতে চলেছে। এই আধুনিক কারাগারটি নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি বন্দিদের মানবিক মর্যাদাও নিশ্চিত করবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।