1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
আগামীকাল বিশ্ব মা দিবস ও আমাদের দায়বদ্ধতার দর্পণ - Khulnar Khabor
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

আগামীকাল বিশ্ব মা দিবস ও আমাদের দায়বদ্ধতার দর্পণ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ১৯৫ বার শেয়ার হয়েছে

জহিরুল ইসলাম রাতুল।। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারে যখন ক্যালেন্ডারের পাতায় ‘মা দিবস’ উঁকি দেয়, তখন বিশ্বজুড়ে শুরু হয় কৃতজ্ঞতার আনুষ্ঠানিক উৎসব। একগুচ্ছ ফুল, দামী উপহার কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সপ্রতিভ ছবি কি সেই মানুষটির ঋণের ভার লাঘব করতে পারে, যাঁর ত্যাগের খতিয়ান কোনো পার্থিব অংকে মেলে না? এক দিনের সাময়িক জোয়ারে কি ধারণ করা যায় জননীর আজীবনের ম্যারাথন সংগ্রামকে? মাতৃত্ব কেবল একটি শব্দ নয়, এটি একটি চিরন্তন দর্শন যা উৎসর্গ আর অস্তিত্বের এক গভীর মেলবন্ধন।

কন্যা থেকে জননী: এক মৌন রূপান্তরের আখ্যান
একজন নারী যখন কন্যা রূপে বেড়ে ওঠেন, তাঁর চোখে থাকে নিজস্ব আকাশ ছোঁয়ার রঙিন স্বপ্ন। কিন্তু মাতৃত্বের পরশ লাগার সাথে সাথেই সেই স্বপ্নের মানচিত্র আমূল বদলে যায়; সেখানে নিজের সত্তার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে সন্তানের ভবিষ্যৎ। গর্ভধারণের সেই প্রথম মুহূর্তটি থেকেই শুরু হয় এক মহাজাগতিক ও নিঃশব্দ যুদ্ধ। এটি কেবল শারীরিক পরিবর্তন নয়, বরং এক মানসিক বিপ্লব। শরীরের প্রতিটি কোষে চলে আমূল পুনর্গঠন, আর মনের অলিগলি জুড়ে দানা বাঁধে এক অদৃশ্য সুরক্ষাবালয়।

সমাজ মাতৃত্বকে ঘিরে যে পাহাড়সম প্রত্যাশার বোঝা তৈরি করে দেয়, একজন মা তা হাসিমুখে গ্রহণ করেন। নয় মাসের সেই সুদীর্ঘ পথচলা কেবল সময়ের হিসেব নয়; বরং তা সহনশীলতা, অন্তহীন ভয়, আর অদম্য ভালোবাসার এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষা। এই রূপান্তরটি অলৌকিক, কারণ এখানে একজন মানুষ নিজের অস্তিত্বের ভেতরে আরেকজন মানুষকে প্রাণ দেয় এবং ধীরে ধীরে নিজের প্রয়োজনগুলোকে গৌণ করে তোলে।
মাতৃত্বের ত্যাগ: অদৃশ্য এক জীবনাহুতিএকজন মা তাঁর সত্তার কতটুকু বিসর্জন দেন, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

তবু জীবনের ক্যানভাসে সেই ত্যাগগুলো চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকে:• স্বপ্ন ও ক্যারিয়ারের বিসর্জন: অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজের লালিত ক্যারিয়ার বা শখের জগতকে অবলীলায় তুচ্ছ করেন তিনি। তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যের আকাঙ্ক্ষাগুলো সন্তানের প্রথম কথা বলা বা প্রথম হাঁটার আনন্দের কাছে ম্লান হয়ে যায়।• বিশ্রামহীন প্রহর: নিজের শারীরিক ক্লান্তি বা অসুস্থতাকে আড়াল করে রাতের পর রাত সন্তানের শিয়রে জেগে থাকা তাঁর জীবনের অলিখিত নিয়ম। তিনি ঘুমোন সবার শেষে আর জেগে ওঠেন সবার আগে।• অব্যক্ত আর্তনাদ: আমাদের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে মায়ের ত্যাগের রূপ ভিন্ন। গ্রামের অভাবী মা নিজের আহার কমিয়ে সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দেন, আর শহরের কর্মজীবী মা অফিস ও সংসারের দ্বৈত ভার কাঁধে নিয়ে হাঁটেন এক নিঃসঙ্গ পথে। এই লড়াইটি যেমন নীরব, তেমনই সুতীব্র।

সন্তানের প্রতিদান: ভালোবাসা নয়, শ্রদ্ধার অধিকার
মাতৃত্ব কেবল একপাক্ষিক বিলিয়ে দেওয়ার নাম নয়। সন্তানের দায়িত্ব এখানে কেবল ক্ষণিকের আবেগে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা এক নৈতিক আবশ্যকতা। মা আমাদের ছায়া দেন বলেই আমরা তাকে অবহেলা করতে পারি না। মনে রাখতে হবে, মা কেবল কোনো যন্ত্র বা সেবাদাত্রী নন; তিনি রক্ত-মাংসে গড়া এক মানুষ, যাঁর নিজস্ব ক্লান্তি, অবসাদ ও স্বপ্ন আছে।সন্তান হিসেবে আমাদের দায়বদ্ধতা কেবল উৎসবের দিনে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। মায়ের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে তাঁর মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া এবং বার্ধক্যের গোধূলি বেলায় তাঁর হাতটি শক্ত করে ধরে রাখা আমাদের প্রধান কর্তব্য। শৈশবে তিনি যেভাবে আমাদের পৃথিবী চিনিয়েছেন, বার্ধক্যে আমাদের উচিত তাঁর পৃথিবীকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করা।

আদর্শের পাঠশালা ও সমাজের রূঢ় বাস্তবতা
মা-ই সন্তানের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। তাঁর আঁচলের তলাতেই সন্তান শেখে নৈতিকতা, মানবিকতা আর সহমর্মিতার আদি পাঠ। অথচ আমাদের সমাজ মাতৃত্বকে যতটা মহিমান্বিত করে মুখে, বাস্তবে ততটাই অবজ্ঞা করে। গৃহিণী মায়েদের হাড়ভাঙা খাটুনিকে ‘কাজ নয়’ বলে তুচ্ছ করা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। কর্মজীবী মায়েদের প্রতিনিয়ত দ্বিগুণ চাপের আগুনে পুড়তে হয়, যেখানে তাঁদের কাজের মূল্যায়ন প্রায়ই ব্যক্তিগত ত্যাগের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বৃদ্ধ মায়েদের কপালে শেষ জীবনে জোটে অবহেলা আর লাঞ্ছনা, যা সভ্য সমাজের জন্য এক বড় পরাজয়।
আগামীর অঙ্গীকার: উৎসব থেকে উপলব্ধিতে
মা দিবস কেবল একদিনের উৎসব নয়, এটি এক গভীর উপলব্ধির নাম। মাতৃত্ব কোনো অলংকার নয়, এটি এক নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম।

তাই আজকের দিনে আমাদের নিজেদের কাছেই প্রশ্ন করতে হবে—আমরা কি কেবল যান্ত্রিকভাবে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে দায় সারব, নাকি তাঁর প্রাপ্য সামাজিক স্বীকৃতি ও হৃদয়ের গহীন থেকে আসা সম্মানটুকু ফিরিয়ে দিতে পারব? প্রতিটি দিনই হোক মায়ের জন্য, আর আমাদের প্রতিদিনের আচরণে ফুটে উঠুক সেই কৃতজ্ঞতার প্রতিফলন।

“মায়ের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়, কিন্তু তাঁকে যথাযথ সম্মান ও সময় দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মা দিবসের সার্থকতা লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের ভালোবাসায়।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।