1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা - Khulnar Khabor
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯৪ বার শেয়ার হয়েছে

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি।।খুলনার কয়রা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় স্বেচ্ছাচারিতা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণসহ বিভিন্ন ধাপে কর্তৃপক্ষের চরম স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। এ নিয়ে উপজেলা চত্বরে পরীক্ষা দিতে আসা নারী-পুরুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে রোববার দিবাগত রাত ২টা পর্যন্ত মহারাজপুর ইউনিয়নের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদনকারীদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত ২৩ জুলাই দুপুরের পরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ইউনিয়ন সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও সেখানে প্রকাশের তারিখ হিসেবে ২১ জুলাই উল্লেখ করা হয়। আবেদনপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২৫ জুলাই। ২৪ ও ২৫ জুলাই সরকারি ছুটি থাকায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সত্যায়িত করতে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন আগ্রহী প্রার্থীরা।

ফলে অল্প সময়ের কারণে অনেক আবেদনকারী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়িত করে জমা দিতে পারেননি। অপরদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে কতিপয় বিষয় অস্পষ্ট ছিল। আবেদনে এরিয়া নম্বর চাওয়া হলেও সেটা অফিস যেয়েও সংগ্রহ করতে পারেন নি প্রার্থীরা।
তাদের আরও অভিযোগ, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ দুই দফা পিছিয়ে রোববার সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও তা শুরু হয় দুপুর ১২টার দিকে। এরপর দক্ষিণ বেদকাশী, উত্তর বেদকাশী ও মহারাজপুর ইউনিয়নের মোট ৩৩৩ জন আবেদনকারীর পরীক্ষা রাত ২টা পর্যন্ত চলে। এর মধ্যে ৬৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। রাত গভীর হয়ে যাওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেকেই পরীক্ষা না দিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে গভীর রাত পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। বেশি সমস্যায় পড়ে নারী প্রার্থীরা।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমাদী ও কয়রা সদর ইউনিয়নের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় দুপুর পৌণে ১২টার দিকে। এছাড়া কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই আগের দিন অনুপস্থিত থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহারুল ইসলাম সুজনকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেখা যায়। এ ঘটনাকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অন্য পরীক্ষার্থীরা।

মহারাজপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলা গ্রামের শাহাদাত হোসেন বলেন, “রাত ২টায় ভাইভা শেষ করে বাড়ি পৌঁছাতে রাত ৩টারও বেশি বেজে যায়। এত গভীর রাতে পরীক্ষা নেওয়া অযৌক্তিক। অনেক নারী পরীক্ষার্থীকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ইউএনও কার্যালয়ের বারান্দায় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনেকেই যানবাহন না পেয়ে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি ফিরেছেন।”
তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদনকারী শারমিন আক্তার বলেন, “নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল না। স্বামীর সূত্রে আমি মহারাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও প্রথমে আবেদন বাতিল করা হয়। পরে আপিলে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে আমাকে ভাইভায় ডাকা হয়। কিন্তু সারাদিন অপেক্ষার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাইভা বোর্ডে গিয়ে জানতে পারি আমার আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আমার ভাইভা নেয়া হয়নি।”

আরেক আবেদনকারী তানিয়া বলেন, “ কয়েকবার ভাইভার তারিখ পরিবর্তন হওয়ায় নতুন তারিখ জানা ছিল না। রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে না খেয়ে বের হই। সকাল থেকেই না খেয়ে অপেক্ষা করছিলাম। রাত ৯টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়ি। অনেক নারী পরীক্ষার্থী ছোট সন্তান বাড়িতে রেখে এসেছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার পর বাড়ি ফিরতে হয়েছে, যা নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।”
উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের আবেদনকারী হায়দার আলী বলেন, “আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সত্যায়িত করার কথা বলা হলেও আমার আবেদন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত না থাকার অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনার পরিচয় মিলেছে।”

কয়রা কেয়ার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলম বলেন, “সরকারি কাজে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এমন আচরণ জনগণের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা দেয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “২১ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কথা থাকলেও ওই সময় আমি জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণে ছিলাম। পাশাপাশি একজন আত্মীয়ের মৃত্যুজনিত কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।”
তবে গভীর রাত পর্যন্ত পরীক্ষা গ্রহণ এবং আগের দিন অনুপস্থিত একজন আবেদনকারীকে পরদিন নিয়মবহির্ভূতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন।”

এসব বিষয়ে কথা বলতে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকীর সাথে মোবাইল কথা তিনি আমরা চেষ্টা করেছি দ্রুত পরিক্ষা শেষ করার জন্য।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।