1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
সংস্কারের মাধ্যমে আবারও প্রাণ ফিরে পেলো কেশবপুর ক্লাব - Khulnar Khabor
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

সংস্কারের মাধ্যমে আবারও প্রাণ ফিরে পেলো কেশবপুর ক্লাব

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ২৩৫ বার শেয়ার হয়েছে

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর।।কেশবপুরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, যেখানে একদিন ক্রীড়া, আড্ডা ও সামাজিক সম্প্রীতির কেন্দ্রবিন্দু ছিলো সেটা আজ ১৭বছর পর প্রাণ ফিরে পেয়ে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠলেন ক্রীড়ামোদীরা।যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কেশবপুর ক্লাব দীর্ঘ ১৭ বছর পর নতুনভাবে সাজানো হলো। সংস্কারের মাধ্যমে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। নতুন রূপে সজ্জিত ক্লাব প্রাঙ্গণে এখন প্রতিদিন বিকেল হলেই জমে উঠছে আড্ডা, খেলাধুলা ও তরুণদের প্রাণচাঞ্চল্য। স্থানীয়দের ভালোবাসা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় কেশবপুর ক্লাব আবারও হয়ে উঠেছে এলাকার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

সম্প্রতি কেশবপুর ক্লাবের আয়োজনে ২০২৬ সালের জমজমাট কেরামবোর্ড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দেয়। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ খেলাটি উপভোগ করতে ক্লাব প্রাঙ্গণে ভিড় করছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৭ বছর পর কেশবপুর ক্লাবে এত বড় পরিসরে খেলাধুলার আয়োজন হওয়ায় নতুন প্রজন্মের মাঝেও ব্যাপক আনন্দের সঞ্চার করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব রেকসোনা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আবু নাইম, কেশবপুর পৌর সভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওবায় বিশ্বাস, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিন গাজী, ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আজিজুল রহমান, নাহিদ হাসান ইমন, নয়ন, যুবদল নেতা মোঃ হেলাল উদ্দিন বিশ্বাস, আঃ রহমান বিশ্বাস, রাজিব, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হাসান কারী প্রমূখ।

কেশবপুর পৌর সভার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর ক্লাবকে নতুনভাবে সাজাতে স্থানীয় তরুণ সমাজ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে কেশবপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওবায় বিশ্বাস ক্লাবটির উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিশেষ অবদান রেখেছেন। স্থানীয়দের মতে, তার আন্তরিকতা ও ভালোবাসার কারণেই ক্লাবটি নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কেশবপুর ক্লাব এখন শুধু একটি খেলাধুলার কেন্দ্র নয়, বরং এটি সামাজিক সম্প্রীতি, সৌন্দর্য ও তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রতীক হয়ে উঠছে। বিকেল হলেই ক্লাব প্রাঙ্গণে তরুণদের উপস্থিতি বাড়ছে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ সামাজিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “কেশবপুর ক্লাবের এমন সামাজিক ও ক্রীড়ামূলক আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি সবসময় কেশবপুর ক্লাবের পাশে থাকবো এবং সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।” এ বিষয়ে কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, “আমরা কেশবপুর ক্লাবকে সুন্দর ও মানসম্মতভাবে গড়ে তুলতে চাই। খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ভালো কাজে সম্পৃক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও ক্লাবের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাব।”

ক্লাবে কেরামবোর্ড প্রতিযোগিতায় মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। টানটান উত্তেজনার ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন, ওবায় বিশ্বাস ও মোহাম্মদ রাজু, রানার আপ হন তরিকুল ও আলম পরবর্তীতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন।
পরিশেষে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস খেলোয়াড়, দর্শক ও ক্লাব সদস্যদের মাঝে নতুন গেঞ্জি উপহার দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর থানা প্রেসক্লাব-এর সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু ও জয়েন্ট সেক্রেটারি রবিউল ইসলাম।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কেশবপুর ক্লাবের এ ধরনের আয়োজন তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন সাজে কেশবপুর ক্লাব এখন পুরো উপজেলায় সৌন্দর্য, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে এটাই ক্রীড়ামোদীদের প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।