1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
আন্দোলনের মুখে স্কুল ত্যাগে বাধ্য হলেন প্রধান শিক্ষক - Khulnar Khabor
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

আন্দোলনের মুখে স্কুল ত্যাগে বাধ্য হলেন প্রধান শিক্ষক

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ১৮১ বার শেয়ার হয়েছে

আলমগীর,নড়াইল প্রতিনিধি : লোহাগড়ায় প্রধান শিক্ষকের অশালীন আচরণে ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থী শিক্ষক -কর্মচারী ও অবিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে বিদ্যালয় ত্যাগে বাধ্য হলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিম খান।

নড়াইলের লোহাগড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ফেরত আসা এক বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনর্বহাল করার অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বহু অভিযোগে অভিযুক্ত সেই শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিম খান শেষ পর্যন্ত বিদ্যালয় ত্যাগে বাধ্য হন।

সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে দায়িত্বে থাকাকালে দুর্নীতি, অসদাচরণ ও অশালীন ব্যবহারের অভিযোগে আব্দুর রহিম খান নিজেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তিনি আইনি লড়াই শুরু করেন এবং আদালতে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ১০৬/২০১৮)।

কিন্তু দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০২৪ সালে আদালত তাঁর মামলা খারিজ করে দেন।

মামলা খারিজের পর অনুমতি ছাড়াই তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন। এর পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের উপর শুরু হয় মানসিক নির্যাতন, হুমকি ও অপমানজনক আচরণ।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা লিখিত অভিযোগে জানান, আব্দুর রহিম খান নারী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করেন, ফোনে অশ্লীল গান দেখাতে চান, শ্লীলতাহানির হুমকি দেন এবং ছাত্রীদের সাথেও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলেন।

এক শিক্ষক জানান, “তিনি বলতেন, ‘আগে ছিলাম ৪৪ হাজার ভোল্ট, এখন হইছি ৮৮ হাজার ভোল্ট।’ এমন ভয়ভীতি দেখিয়ে পুরো বিদ্যালয়ের পরিবেশ অশান্ত করে তোলেন।”

বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক থেকে দপ্তরি ও নৈশপ্রহরী—প্রত্যেককেই নানা অপমানজনক ও অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য করা হতো।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে অকারণে অর্থ ব্যয় করে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়ান, অথচ তার প্রধান শিক্ষক হিসেবে পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি আত্মীয় হিসেবে পরিচিত এক বিতর্কিত শিক্ষক এ.কে.এম আরিফ-উদ-দৌলাকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করেন, যিনি একাধিক বিদ্যালয় থেকে ছাত্রীর সঙ্গে অসদাচরণ, জাল সনদ বানানো, অর্থ আত্মসাৎ ও কম্পিউটার চুরির অভিযোগে বিতাড়িত হয়েছেন।

এই অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা একত্র হয়ে প্রতিবাদ শুরু করলে তিনি বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে যান। বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সবাই।

অভিযোগপত্রটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এতে আব্দুর রহিম খানের পূর্বের সাসপেনশন, আদালতের রায়, আর্থিক ও নৈতিক দুর্নীতির প্রমাণসহ সব কিছু সংযুক্ত রয়েছে।

শিক্ষকরা বলেন, “এই শিক্ষক আবার দায়িত্ব পেলে আমরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে পারব না। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।”

এ বিষয়ে জানতে অত্র বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রিয়াদকে ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তারা মানববন্ধনসহ বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাবেন। ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় তড়িৎ পদক্ষেপের জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।

এই ঘটনায় শিক্ষা খাতের শুদ্ধাচার ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে, বলে অভিমত স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।