1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
ইসকনের দখলে কলেজের সম্পত্তি, চিন্ময়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ - Khulnar Khabor
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

ইসকনের দখলে কলেজের সম্পত্তি, চিন্ময়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪৪ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর || খুলনার কেশবচন্দ্র সংস্কৃত কলেজের অভ্যন্তরে জায়গা দখল করে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন ইসকনের একটি অংশ। কলেজ প্রতিষ্ঠাতার দলিলে উল্লিখিত শর্ত লঙ্ঘন করে মন্দিরের সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহার ক্ষুব্ধ করে তুলছে অন্যদেরকে।

লেখাপড়ার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি নানা ইস্যুতে দু’পক্ষ প্রায়শই মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় বাড়ছে উত্তেজনা। ইসকন অনুসারীদের আমন্ত্রণে রাষ্ট্র্রদ্রোহ ও হত্যা মামলায় কারাবন্দী চিন্ময় এই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন। পরিকল্পনা করেছিলেন সনাতন মহাসভা করার। যে কারণে কলেজ সংশ্লিষ্টরা দখলদার ইসকন অংশকে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর আখ্যায়িত করে দেশে পরিকল্পিত অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির গুরুতর অভিযোগ এনেছেন।

‎নিজ ভূমিতে পরবাসীতে পরিণত হওয়া কেশবচন্দ্র সংস্কৃত কলেজ কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

‎তাদের দাবি, খুলনা পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান মহেন্দ্র কুমার ঘোষ ১৯৩৮ সালে দলিলের মাধ্যমে খুলনা পৌরসভার অনুকূলে ( সংস্কৃত কলেজ ও রাধা মাধব মন্দির ) প্রতিষ্ঠা করেন। দলিল অনুযায়ী ১০ সদস্যের পরিচালনা বোর্ড কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাহ্মণ হবেন, যিনি একই সাথে রাধা মাধব মন্দিরের পূজারি হবেন।

‎তাদের দাবি, ১৯৯৫ সালে সর্বপ্রথম ইসকন সদস্যরা খুলনায় আসেন। মহানগরী খুলনায় তাদের থাকার কোন জায়গা না থাকায় সংস্কৃত কলেজে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। ২০১১ সালে নগরীর গল্লামারীতে ইসকনের নিজস্ব সম্পত্তিতে মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন হলে গেরুয়া পোশাকধারী সদস্যরা সেখানে চলে যান। কিন্তু সাদা পোশাকধারী কতিপয় ইসকন সদস্য কলেজে অবস্থান নেন। দাতার দলিলের শর্ত লঙ্ঘন করে কলেজ অধ্যক্ষকে রাধা মাধব মন্দিরের পূজা করতে না দিয়ে তারাই সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

‎লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি বোর্ডের অধীনে কেশবচন্দ্র সংস্কৃত কলেজে এখন প্রায় সাড়ে তিনশ শিক্ষার্থী আছে। ইসকন সদস্যরা ভবনের যে স্থানটি বর্তমানে রান্নাঘর হিসেবে ব্যবহার করছেন, সেখানে যেতে গেলে ক্লাসের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। তাদের রান্নার উপকরণ ও পোশাক-আশাক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ক্লাসের ভেতরে। ক্লাস চলাকালে রান্নার কাজ চললে ধোঁয়ায় ও মশলা কষানোর গন্ধ টিকে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়ে। আগে রান্নাঘর যেখানে ছিল সেখানে কেশবচন্দ্র সার্বজনীন দুর্গা মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। ইসকন সদস্যদের অনুরোধ করা হয়েছে বাইরে খোলা চত্বরে রান্না করতে। কথা কানে তোলা দূরের কথা, বরং কলেজ কমিটির বিরুদ্ধে গত বুধবার মিছিল ও মানববন্ধন করে অশ্রাব্য ভাষায় বিষোদ্‌গার করা হয়েছে।

‎ঘটনার জন্য মূলত খুলনা মহানগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুন্ডুকে দায়ী করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি চিন্ময় দাসের সহযোগী ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর প্রশান্ত কুন্ডু পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থির করার পাঁয়তারা করছে।

‎তার সহযোগী হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট বিজন কৃষ্ণ মন্ডল, অ্যাডভোকেট আনন্দ দাস, বলরাম দাস, সঞ্জিব বনিক, শুভ্রদেব দে দীপ, বিশ্বজিৎ দে মিঠু, রতন দেবনাথ, টুটুল দত্ত, অশোক দে গং।

‎এদের আমন্ত্রণে গ্রেপ্তার হওয়ার কিছুদিন আগে বিতর্কিত ধর্ম নেতা চিন্ময় দাস এখানে এসেছিলেন।

‎সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন কলেজ কমিটির সভাপতি দেবাংশু কুমার চক্রবর্তী। বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কলেজ অধ্যক্ষ সুদর্শন চক্রবর্তী, অর্থ সম্পাদক ডা. কৃষ্ণপদ রায়, কেসিসির প্রতিনিধি উজ্জল কুমার সাহা, সদস্য রঞ্জন দে।

‎দুপুরে নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোড কেশবচন্দ্র সংস্কৃত কলেজে সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের আয়োজনে শতাধিক লোকের জন্য নিরামিষ রান্না হয়েছে। অতিথিরা আসতেও শুরু করেছেন। রান্নাঘরে যাতায়াত ক্লাস রুমের ভেতর দিয়ে। দোতলায় সিঁড়ির দোরগোড়ায় বসে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য ও রাধা মাধব মন্দিরের সেবায়েত বৈষ্ণব বলরাম দাস।

‎গল্লামারীতে ইসকনের নিজস্ব মন্দির নির্মাণের পর সবাই চলে গেলেও রাধা মাধবের সেবার জন্য তারা রয়ে যান। রাধা মাধবের সেবার জন্য বৈষ্ণব হতে হবে, ব্রাক্ষণ এ কাজ পারবে না বলে দাবি তার।

‎এ বিষয়ে জানতে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুন্ডুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, নামে কলেজ হলেও এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চলতো না। কিছু ছাত্র থাকতো সন্ত্রাসী প্রকৃতির। ট্রাস্টের জমিতে সেন্ট্রাল ক্লাব করা হয়েছিল। সেখানে জুয়া ও মাদক চলতো। আমাদের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়, আর ইসকনের সদস্যরা অবস্থান নেওয়ায় শৃঙ্খলা ফিরে আসে।

‎তিনি বলেন, সনাতন জাগরনী মঞ্চের আমন্ত্রণে চিন্ময় দাস খুলনায় এসেছিলেন। ধ্রুব মহারাজ দায়িত্বে ছিলেন। আমন্ত্রিত হয়ে আমি উমেশচন্দ্র লাইব্রেরিতে তার বক্তৃতা শুনতে গিয়েছিলাম। উনি নিরামিষ খান, সেজন্য কেশবচন্দ্র সংস্কৃত কলেজে ইসকনের ওখানে খেতে গিয়েছিলেন। দেশকে অস্থির করা বা ফ্যাসিস্টের দোসর নামে যে ট্যাগ তাকে দেয়া হচ্ছে তিনি এর নিন্দা জানান।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।