1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
নির্মাণ কাজে ধীরগতি, যশোর-খুলনা মহাসড়ক এখন এক মরণ ফাঁদ, জনদুর্ভোগ চরমে - Khulnar Khabor
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

নির্মাণ কাজে ধীরগতি, যশোর-খুলনা মহাসড়ক এখন এক মরণ ফাঁদ, জনদুর্ভোগ চরমে

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ১৬৯ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর ||নির্মাণ কাজে দীর্ঘ সূত্রিতায় যশোর-খুলনা মহাসড়ক এখন যেন চলাচলে অনুপযোগীই নয়; বরং মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টি হলে কাঁদা আর রোদ হলে ধুলা। সড়কটি পাকা হলেও দেখে তা বোঝার কোনো উপায় নেই।

তবে মনে হতে পারে এটি মহাসড়ক হলেও বর্তমানে খালে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে পরিবহণ ও ভারী ট্রাকসহ অন্যান্য যানবহন চলাচল করে থাকে। প্রতিনিয়ত ভেঙ্গে ও উল্টে যাচ্ছে যানবাহন।

প্রতিদিন শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষ এ পথে বিভিন্ন গন্তব্যে যায়। ট্রাকে-ট্রলিতে করে নেয়া মাটি ও বালু রাস্তার উপরে পড়ে কাঁদা-মাটিতে একাকার হয়ে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। তাই সড়কে চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েক দিনের অতিবৃষ্টিতে উপজেলার প্রেমবাগ থেকে চেঙ্গুটিয়া পর্যন্ত সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ মহাসড়ক দিয়ে ৮-১০টি জেলার মানুষ চলাচল করে। তাছাড়া নওয়াপাড়া নদী বন্দর ও বেনাপোল স্থল বন্দরের বিভিন্ন পণ্য এ সড়ক দিয়ে পরিবহনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। বিশেষ করে দেশের চাহিদার ৬০ ভাগ আমদানিকৃত সার নদী পথে নওয়াপাড়া নদী বন্দরে এনে তা খালাস করা হয়।

এখান থেকে পরিবহনের মাধ্যমে সে সার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় প্রেরণ হয় যার মধ্যে খাদ্যশস্যও রয়েছে। এখন চাষাবাদের ভরা মৌসুমে সড়কের বেহাল দশার কারণে সঠিক সময় সার পরিবহনের মাধ্যমে কৃষকের কাছে পৌঁছানো সম্ভাব হচ্ছে না।

সড়কের দুরবস্থার কারণে ট্রাক চালকরা এখান থেকে সারসহ সকল পণ্য পরিবহনে অনিহা প্রকাশ করছে। এতে করে কৃষকদের সময়মত সার না পাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। সঠিক সময় সার না পেলে চাষাবাদ চরমভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

কয়েকজন ট্রাক ড্রাইভার জানিয়েছেন প্রতিনিয়তই ২/৩টা গাড়ি উল্টে যাচ্ছে। এছাড়াও জাহিদুল ইসলাম নামের ট্টাক ড্রাইভার জানান, গত সোমবার রাত তিনটার সময় এসেছি প্রায় ১৩ ঘন্টা অপেক্ষা করছি এখনো পর্যন্ত এই ১ কিলোমিটার রাস্তা পার হতে পারিনি। আমরা এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই। তা না হলে খুব শিগগিরই সমস্যা আরো তীব্র থেকে তীব্রতা ধারণ করবে।

স্থানীয়রা জানান, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন মোটরসাইকেল ও ছোট ছোট গাড়ির চালকরা। পাকা রাস্তার উপর ভেজা কাঁদা মাটিতে একাকার হয়ে সৃষ্টি হয় এক মরণ ফাঁদ। রাস্তা দিয়ে গাড়িতে চলাচল ও হেঁটে পথ পাড়ি দিতে চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ইটভাটার মালিক ও বালি-মাটি ব্যবসায়ীদের লাইন্সেবিহীন ট্রাক্টর, ডাম্পার ট্রাক, ট্রলি নিয়মিত মাটি ও বালি বহন করে থাকে। এই ট্রলি ও ট্রাক থেকে বালি-মাটি পড়ে রাস্তার বেহাল দশার সৃষ্টি হয়। এই মাটি রোদের সময় ধুলা আর বৃষ্টির সময় পিচ্ছিল কাঁদায় পরিণত হয়।

মেহেদি নামের এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে হয়। ধুলায় কোন কিছুই দেখা যায় না। আবার বর্তমানে কাঁদার কারনে রাস্তায় চলাচলে অনেক সমস্যা পোহাতে হচ্ছে।
পরিবহন চালক রমজান আলী বলেন, বছর জুড়েই এই রাস্তায় চলাচল করতে দুভোর্গ পোহাতে হয়। বর্ষা হলেই চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ে আবার বর্ষা গেলে ধুলায় চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিনিয়তই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

পরিবহন যাত্রী অনিক অধিকারী বলেন, যশোর-খুলনা মহাসড়কের অভয়নগর অংশ এখন যেন মরণফাঁদ। ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। যাত্রী সাধারণ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়িত। নওয়াপাড়া থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি চেঙ্গুটিয়া উড়োতলা নামক স্থানে পৌঁছালে সড়কের বেহাল দশা ও জ্যামের কারনে ২ ঘন্টা গাড়ির ভিতর বসে আছি।

এদিকে নওয়াপাড়া সার সিমেন্ট খাদ্যশষ্য ব্যবসায়ী সমিতির নেতা নুরে আলম বাবু পাটোয়ারী বলেন, মোকাম থেকে সারসহ পণ্য পরিবহনে চালকরা অনিহা প্রকাশ করায় এ বন্দরে বার্জ কারোগা থেকে থাকা সার পণ্য সঠিক সময় খালাস করা যাচ্ছে না। এতে করে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য ডেমারেজ গুণতে হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ক্ষোভের সাথে বলেন, সড়কটি কাদা মাটি ভিজে একাকার হয়ে যায়। সড়কের গর্ত জমে যায় পানিতে। আর বৃষ্টি না হলে গাড়ির চাকার সঙ্গে উড়ে ধুলা। রাস্তায় মোটরসাইকেল চালকেরা বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ফলে এসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। এ দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের, আমাদের এ দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই।

এ ব্যাপারে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারণে ওই এলাকার সড়কে যানবহন যাতায়াতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। কয়েকটি গাড়ি নষ্ট হওয়ার কারণে রাস্তা ব্লক হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের টিম ২৪ ঘন্টা মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করছি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহজাদা ফিরোজ বলেন, এ ব্যাপরে রাস্তার কন্ট্রাক্টরকে ডাকা হয়েছিল তাদের সাথে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, ভারী বর্ষণের কারণে কাজে বিলম্ব হলেও কাজ শুরু হবে এবং আশা করছি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।