1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
মোল্লাহাট সেটেলমেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে ভূমি জরিপ বাণিজ্যের অভিযোগ - Khulnar Khabor
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা লোহাগড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মোল্লাহাট সেটেলমেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে ভূমি জরিপ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩০৯ বার শেয়ার হয়েছে

আরিফুল ইসলাম রিয়াজ, মোল্লাহাট ||বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সেটেলমেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে ভূমি জরিপ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (২৩ এপ্রিল) ভুমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা বরাবর লিখিত একটি অভিযোগ প্রবাহ প্রতিবেদকের হাতে পৌঁছালে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। এরপর একের পর এক নানা দূর্নীতির চিত্র হাতে আসে।

মোল্লাহাটের সেটেলমেন্ট অফিসে দুর্নীতি ও হয়রানির যেন সীমা পরিসীমা নেই। ঘুষ ছাড়া এই অফিসগুলোতে কোন সেবা পাওয়া মুশকিল। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা রীতিমত অসহায়।

সেটেলমেন্ট অফিস থেকে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়েছে এমন নজির পাওয়া কষ্টসাধ্য যার প্রতিফলন পাওয়া গেছে অনুসন্ধানে।

সেবা প্রার্থীরা বলছে, ভূমি রেজিস্ট্রেশন সেটেলমেন্ট জরিপ, ভূমি অধিগ্রহণ, খাস জমি, পরিত্যক্ত ও অর্পিত সম্পত্তির ক্ষেত্রে টাকা ছাড়া কোন সেবা মেলে না।

সরকারি খরচে ভূমির জরিপ হওয়ার কথা থাকলেও সেটেলমেন্ট অফিসে চলছে রমরমা জরিপ বাণিজ্য, অনুসন্ধানে জানা যায়, ক্রয়কৃত জমি সেটেলমেন্ট অফিসের চলমান জরিপে রেকর্ড করাতে গিয়ে নানা রকম প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানির শিকার কার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।

৬ জন ভুক্তভোগীর সাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্রে বলা হয় বহুদিন যাবত মোল্লাহাট উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার আলতাফ ও তার সহকারী সেলিম অর্থের বিনিময়ে একজনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দিচ্ছে। সর্বশেষ বিআরএস গাংনী মৌজার জরিপে একজনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দিয়ে ৭-৮ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছে।

অভিযোগে আরো বলা হয়, তাদের এই ধরনের কাজের ফলে মোল্লাহাটের দুটি মৌজার জরিপ বাতিল হয়েছে, ফলে সরকারের অর্ধেক ক্ষতি ও জনগণের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযোগ করে রাজপাট নিবাসী ফরহাদ শেখ জানান, মোল্লাহাট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেজিস্ট্রিকৃত ১১৬৭/২০০৭ নং দলিলমূলে ৬৫৩ নং দাগে ২৬ শতক জমি খরিদ করেন এবং নামজারি মামলা করে নিজ নামে ২৬ শতক জমি রেকর্ড করে সরকারি কোষাগারে ক্র:নং: ০১৫৬২৫০২১২৪৫ চালানে (অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর-২০২৫) ২৬ শতক জমির খাজনা প্রদান করেন। এরপর বি,আর, এস (ডিপি) ১৩৬১ নং খতিয়ানে নিজ নামে রেকর্ড করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। সেটেলমেন্ট অফিস থেকে ২৬ শতকের প্রিন্ট পর্চাও দেয়া হয়। অথচ প্রিন্ট পর্চাটি গেজেট প্রকাশের পর তার নামে ২১ শতক জমি রেকর্ড হয়।

এ বিষয়ে সেটেলমেন্ট অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এর দায় অস্বীকার করেন। গেজেট পর্চা তোলার পর দেখা যায় ৫৩৪ ধারা মোতাবেক ৯৪/২০২২ নং মোকাদ্দমায় তার নাম থেকে ৫ শতক জমি কর্তন করে নেয়া হয়েছে। তবে তাকে কোন‌ লিখিত বা মৌখিক নোটিশ দেয়া হয় নাই।

তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশ্ন তুলে বলেন, কোন রেকর্ডের বিরুদ্ধে মোকাদ্দমা দায়ের হলে বিবাদীকে নোটিশ না করে একতরফা রেকর্ড করা হয়েছে কোন আইনে ?

ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন সরকারি কর্মচারী (বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী) হায়দার আলী ফকির জানান, গ্রামের বাড়িতে একটি মহিলা মাদ্রাসা করার জন্য আমি একটি জমি ক্রয় করেছিলাম, দালিলিক সকল প্রকার কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমিটি রেকর্ড করাতে পারিনি, নিরুপায় হয়ে একজন পরিচিত আত্মীয়ের মাধ্যমে পুনরায় সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার সাথে দেখা করলে তিনি আমার কাছে ৬ হাজার টাকা দাবী করেন।

আরো দুই ভুক্তভোগী জানান,বি,আর,এস- ২১৩৮ নং খতিয়ানে ৩১৭১ নং দাগে হাবিবুর রহমান ও নজরুল ইসলামের নামে ১ একর ৮৯ শতক জমি রেকর্ড হয়ে অফিস থেকে প্রিন্ট পর্চা দেয়া হয়। কিন্তু গেজেট হওয়ার সময় অজ্ঞাত কারনে সম্পূর্ণ জমি শেখ মোশারফ হোসেনের একক নামে রেকর্ড হয়।

বি,আর,এস- ১৯৭১ নং খতিয়ানে মোশারফ হোসেন ৫০০ অংশে, আকুব্বার শেখ ২৫০ অংশে ও আফাজ উদ্দিন মোল্লা ২৫০ অংশে ২৯ টি দাগে মোট ১৫ একর ৯৭ শতক জমি রেকর্ড করা হয়‌ এবং অফিস থেকে প্রিন্ট পর্চা দেয়া হয়। কিন্তু গেজেট হওয়ার সময় অজ্ঞাত কারনে সম্পুর্ণ জমি শেখ মোশারফ হোসেনের একক নামে রেকর্ড হয়।

অভিযোগকারীগন আরো বলেন, দালিলিক প্রমাণক ও দখল স্বত্ব ঠিক থাকা সত্ত্বেও অনৈতিক পন্থায় সেটেলমেন্ট অফিসার ও তার সহকারী একজনের জমি আরেকজনের নামে রেকর্ড করিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এই ভুমি জালিয়াতির ফলে মোল্লাহাটের শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে এবং জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এপর্যন্ত কয়েকটি হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিকার চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ জনগণ।

এ বিষয়ে সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে সেটেলমেন্ট অফিসার আলতাফ ও সহকারী সেলিমের দেখা না পেয়ে তাদের মুঠোফোনে ০১৭১২৮৭৬৫৫০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে সেটেলমেন্ট অফিসার আলতাফ কোন বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং সহকারী সেলিমের সাথে ০১৬৮৮৭৮১০৪০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এরপর বিভিন্ন মহল থেকে প্রবাহ প্রতিবেদককে ঘুস দিতে ব্যর্থ হয়ে তার জীবন নাশ সহ নানারকম হুমকি দেয়া হয়।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হরেকৃষ্ণ অধিকারী জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।