1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
খুলনার আদালত ৯৮ হাজার মামলার বোঝায় ভারী - Khulnar Khabor
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা লোহাগড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

খুলনার আদালত ৯৮ হাজার মামলার বোঝায় ভারী

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৪৫ বার শেয়ার হয়েছে

ইমরুল ইসলাম ইমন খুলনার খবর ||মামলার বোঝায় ভারী হয়ে উঠেছে খুলনার আদালত। খুলনার বিভিন্ন আদালতে বর্তমানে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ৯৮ হাজার। বাদী, বিবাদী, কৌঁসুলিসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফৌজদারি মামলায় অনেক প্রতিবেদন দেরিতে আসা, আসামিপক্ষের বারবার সময়ের আবেদন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ, সাক্ষীদের সঠিক সময়ে হাজির করতে না পারাসহ নানান কারণে নিষ্পত্তি হচ্ছে না এসব মামলার।

অপরদিকে দেওয়ানি মামলায় সমন জারি ও গ্রহণে বিলম্ব, বারবার সময় চেয়ে আবেদন, ভূমি পরিমাপে কমিশন নিয়োগে দেরি, আর্জি সংশোধন, বারবার আপত্তি দিয়ে সময়ক্ষেপণের কারণে ঝুলে থাকছে মামলাগুলো।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলা দায়রা আদালত, মহানগর দায়রা আদালত, নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালসহ খুলনার বিভিন্ন আদালতে প্রায় ৯৮ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যার মধ্যে জেলা জজ আদালতে সিভিল মামলা ৫১ হাজার ৬৬টি ও ক্রিমিনাল মামলা ৪ হাজার ২৮২টি, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে প্রায় ১৩ হাজার মামলা এবং বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে প্রায় ১৫ হাজার মামলাসহ বিভিন্ন আদালতে প্রায় ১৪ হাজার মামলা চলমান রয়েছে।
আইনজীবীরা বলছেন, বাদী-বিবাদী সব পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতাই পারে মামলার জট কমাতে। সাক্ষী হাজির নিয়ে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এক্ষেত্রে বিচারকাজে বিলম্ব হলে মামলাজট তৈরি হয়।
দেওয়ানি মামলার বিচারপ্রার্থী আব্দুল হালিম জানান, প্রায় তিন বছর যাবত দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে। অনেক সময় আদালতে নির্ধারিত তারিখে এসে শুনতে হয়েছে কোর্ট উঠবে না। আবার অনেক সময় অন্য পক্ষ হাজির হন না। দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় অর্থ ও সময় নষ্ট হচ্ছে।
ফৌজদারি মামলায় বিচার প্রার্থী সুজন হোসেন জানান, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট পেয়ে অভিযোগ গঠন হতেই দেড় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে সময় নিয়ে এখন নিজের কাছেই শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ডুমুরিয়া থেকে আসা বিচারপ্রার্থী রবিউল হক বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে মামলা দায়ের করেছি প্রায় সাত বছর আগে। তারিখের পর তারিখ পড়েছে। মামলা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। তবে সাত বছরে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। যাতায়াতে খরচ অনেক গেছে। এখন সঠিক রায় পেলেই সন্তুষ্ট আমি।
আইনজীবী মুরাদ হোসেন বলেন, বিচারপ্রার্থীরা সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় বিজ্ঞ আদালতে আসেন। ক্রিমিনাল মামলায় অনেক জটিলতা থাকে। পুলিশি তদন্ত থাকে। সাক্ষীর বিষয় থাকে। পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের জন্য অনেক কালক্ষেপণ হয়। কিন্তু রিপোর্টের পর মামলা ট্রায়ালে গেলে সাক্ষীর হাজির হওয়া নিয়ে অনেক সময় বেগ পেতে হয়। এজন্য কার্যতালিকায় প্রতিদিন মামলার সংখ্যা বাড়ছে।
আইনজীবী মো. মিলন বলেন, অপ্রয়োজনীয় মামলা, সঠিক সময়ে সাক্ষীদের উপস্থিত না হওয়া, মামলা হাইকোর্টে পেন্ডিং থাকা, বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের অদক্ষতার কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সূত্রিতায় বিচারপ্রার্থীরা প্রতিদিনই হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
খুলনা সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান বলেন, অপ্রয়োজনীয় মামলার কারণে আদালতে মামলার চাপ বাড়ে। যার কারণে বিচারকাজেও অনেক সময় কাল বিলম্ব হয়। অনেকে না বুঝেই এক আদালতের মামলা অন্য আদালতে দায়ের করেন। যার জন্য জটিলতাও তৈরি হয়। সূত্র: জাগোনিউজ
তিনি আরও বলেন, সিভিল মামলা নিষ্পত্তির হার বেশি। কিন্তু ক্রিমিনাল মামলা নিষ্পত্তির হার কম। কারণ ক্রিমিনাল মামলায় কোর্টে সাক্ষী সময়মতো আসেন না, আবার অনেক সময় সাক্ষী রিকল দিয়েও পাওয়া যায় না।
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব শেখ নুরুল হাসান রুবা বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির জন্য পুরাতন বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রয়োজন, বিনা কারণে কোনো মামলা মূলতবির ক্ষেত্রেও আইনের সংস্কার প্রয়োজন।

এছাড়াও সুপারভিশনের অভাবে অনেক মামলা দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকে। একটা মামলা বিচার বিভাগের অধীনে প্রসেস হতে অনেক সময় লাগে। বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের দক্ষতার অভাবে এই সময় দীর্ঘায়িত হয়।

তিনি আরও বলেন, আইনি জটিলতা দূর করলে এবং সকলের আন্তরিকতা থাকলে সাধারণ বিচার প্রার্থীরা উপকৃত হবেন এবং তাদের অর্থ ও সময় দুইই বাঁচবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।