1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
লোভনীয় বিজ্ঞাপনে অনলাইন প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে "ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট" - Khulnar Khabor
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

লোভনীয় বিজ্ঞাপনে অনলাইন প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে “ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট”

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
  • ৬১৩ বার শেয়ার হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি || ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বাজার ব্যবস্থায় যোগ হয় সুপার শপ, শপিং মল, সুপার মার্কেট,মেগা মল। বাজারে গিয়ে সরাসরি পণ্য ক্রয়ের পাশাপাশি মানুষজন বর্তমানে অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসেই পণ্য পেয়ে যাচ্ছে। সরাসরি পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতারা বিভিন্ন পণ্য যাচাই-বাছাই করে কাক্সিক্ষত পণ্য ক্রয় করতে পারে। কিন্তু অনলাইনে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রেতার অনলাইনে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পণ্য অর্ডার করতে হয়। সরাসরি পণ্য যাচাই-বাছাই করার সুযোগ না থাকায় কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি কাঙ্ক্ষিত পণ্য সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ বা নিম্নমানের পণ্য সরবরাহসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে।

ফেসবুকে অনবরত ঘুরছে পণ্যের বিজ্ঞাপন।দামি ফোন,ক্যামেরা,ইলেকট্রনিকস নানা গ্যাজেট কম দামে বিক্রির অফার দেখে ম্যাসেঞ্জারে দিলেন ‘নক’। কথোপকথনের এক পর্যায়ে পণ্যটি কিনতে রাজি হলেন গ্রাহক। চুক্তি হলো পণ্য হাতে পাওয়ার পর টাকা পরিশোধ করবেন।
তবে পণ্য সরবরাহ খরচসহ অগ্রিম কিছু টাকা পাঠাতে হবে। টাকা নেওয়ার পর দিল ‘ব্লক’ অথবা হাতে পেলেন নিম্নমানের পন্য এভাবেই চলছে অনলাইন প্রতারণা।

অনলাইনে এবং অফলাইনে ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট নামের ঢাকার মিরপুরের একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নানা ধরনের লোভনীয় অফার দিয়ে নিম্নমানের ইলেকট্রনিকস পণ্য বিক্রি করে ক্রেতা সাধারনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারনা করে আসছে।

পাশাপাশি ঔসকল বিক্রিত পন্যের ওয়ারেন্টি নিয়ে প্রতিনিয়ত ক্রেতা সাধারনের সাথে দুর্ব্যবহার এবং ওয়ারেন্টি পন্য ফেরৎ না দেওয়ার হুমকিও প্রদান করছে এধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাধারণত,এই প্রতিষ্ঠানটি যেভাবে নকল পন্য দিয়ে প্রতারণা করে সেটা দেখে নেওয়া যাক:

১. ভুয়া বা অতিরঞ্জিত বিজ্ঞাপন – আসল মানের চেয়ে অনেক বেশি ভালো বলে দাবি করা হয়।

২. নকল বা রিফারবিশড পণ্য নতুন বলে বিক্রি – পুরনো বা রিফারবিশড ডিভাইসকে নতুন বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।

৩. ওয়ারেন্টি বা রিটার্ন পলিসিতে গড়মিল – পণ্য কেনার পর দেখা যায়, ওয়ারেন্টি কাজ করে না বা রিটার্ন দেওয়া সম্ভব নয়।

৪. লোভনীয় ছাড় ও অফার – বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে অফার দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা হয়।

৫. নকল ব্র্যান্ডিং ও লেবেলিং – জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের লোগো বা ডিজাইন নকল করে সস্তা পণ্য বিক্রি করা হয়।

আর এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের সাথে প্রতারনা করে আসছে “ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট” নামের একটি ব্যবসায়ী প্রতিস্ঠান।প্রতিষ্ঠানটি টিকানা, মিরপুর শপিং সেন্টার,দোকান নং-৬০১,লেভেল-৬,মিরপুর-২,ঢাকা-১২১৬।এরা প্রতারনার জন্য বেশ কিছু মোবাইল নাম্বারও ব্যবহার করে।01886600033, 01950000544, 01673418186।নামসর্বস্ব ওয়েবসাইট খুলে নামি-দামি ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে দিয়ে যেকোন একটা আসল পন্যের রিভিউ ভিডিও বানিয়ে,নানাধরনের অফারের লোভ দেখিয়ে সেই ভিডিওর ডেসক্রিপশনে এধরনের প্রতারক ব্যবসায়ীদের ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দেয়।ফলে ঐসকল পরিচিত ইউটিউব ক্রিয়েটরের কথায় কোন জাচ বিচার না করেই সেই লিংকে ঢুকে পন্যটির অর্ডার করে দেয়।

পামাপাশি এই “ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট”প্রতিষ্ঠানটি ইউটিউবে ও ফেসবুকে পেজ খুলে নামি দামি পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে মানহীন কপি গ্যাজেট পাঠিয়ে গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।ঐ পন্যটি ক্রেতা হাতে পেয়ে বুঝতে পেরে পুনরায় পন্যটি তাদের ঠিকানায় পাঠালে শুরু হয় নতুন চালাকি।পন্যটির বিক্রোত্তের সেবা দেবার কথা থাকলেও সেটি না করে ক্রেতার সঙ্গে বাক-বিতন্ডা করে পন্যটি আর ফেরত না দিয়ে তাদের মিরপুরের দোকানে যেয়ে নিয়ে আসতে বলে।

খুলনার ভুক্তভোগী এক সাংবাদিক এবিষয়ে বলেন,গত ২১ নভেম্বর একটি এ্যাকশন ক্যামেরার অর্ডার দেন ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেটে পরবর্তীতে সেই ক্যামেরাটি ২মাসের মাথায় নস্ট হয়ে গেলে তাদের দোকানে পাঠানো হলে নানা বাহানা করে, পরে আর ক্যামেরাটি ফেরৎ দেয়নি।

বর্তমানে ফেজবুক ও ইউটিউবে নানা পন্যের চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে দির্ঘদিন ধরে ক্রেতা সাধারনের সাথে এধরনের প্রতারনা করছে ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট শপটি।তাদের দোকানে বিভিন্ন সেকেন্ডহ্যান্ড ক্যামেরা অথবা নানা ধরনের সেকেন্ডহ্যান্ড গ্যাজেটকে নতুন বলে বেশি দাম নিয়ে গ্রাহককে প্রতারিত করছে।নতুনের আড়ালে পুরাতনের রমরমা ব্যবসা পেতে বসেছে মিরপুরের ক্যামেরা এন্ড গ্যাজেট শপ।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯-এর ৪৪ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অসত্য বা মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারিত করলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার দিন দিন বাড়ছে এবং অনেক উদ্যোক্তা অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে অভাবনীয় সফলতা পাচ্ছেন। অনলাইন ব্যবসা দেশের প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় সম্ভাবনার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। বড় কোন প্রস্তুতি বা পুঁজি ছাড়াই প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও উদ্যোক্তা হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছে।অথচ এধরনের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারনে অনলাইন থেকে পন্য ক্রয় করতে আগ্রহ হারাচ্ছে ক্রেতা সাধারন, হচ্ছেন প্রতারিত।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।