1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
নিষেধাজ্ঞার আগেই মাইকিং করে ইলিশ বিক্রির ধুম - Khulnar Khabor
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

নিষেধাজ্ঞার আগেই মাইকিং করে ইলিশ বিক্রির ধুম

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৫৫ বার শেয়ার হয়েছে

ইমরুল ইসলাম ইমন,খুলনা প্রতিনিধি || একটু পরেই নিষেধাজ্ঞ প্রজ্ঞাপন/ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশের মতো, খুলনায় মাইকিং করে ইলিশ বিক্রি,দাম শুনে হতাশ ক্রেতারা মধ্যরাত থেকে ইলিশ আহরণ,বাজারজাতকরণ,পরিবহন ও মজুতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হচ্ছে। তাই শেষ মুহূর্তে খুলনায় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে মাইকিং করে। বাজারে অন্যান্য দিনের চেয়ে ইলিশের সরবরাহ বেশি থাকলেও কমেনি দাম। মাইকিং শুনে ক্রেতারা এগিয়ে আসলেও দাম শুনে কেউ কেউ ফিরছেন খালি হাতে। আবার অনেকেই ফিরছেন অন্যান্য মাছ নিয়ে।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে,শনিবার ১২ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে আগামী ০৩ রা নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণে ইলিশ আহরণ,পরিবহন,বাজারজাতকরণ,মজুদে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। তাই ভোজন ভিলাসী মানুষ শেষ মুহূর্তে ইলিশের স্বাদ নিতে খুলনার বাজারগুলোতে ভিড় করছেন। যাদের সামর্থ্য আছে তারা কিনছেন। আবার অনেকেই দাম বেশি হওয়ায় ইলিশ মাছ না কিনেই খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার ইলিশের স্বাদ অন্য মাছে মেটাচ্ছেন।

নগরীর ময়লাপোতা সান্ধ্য বাজারের মাছ ব্যবসায়ী বাপ্পি বলেন, ভারতে এলসি বন্ধ। বাজারে ইলিশের আমদানি বেশি। তাই গত কয়েকদিনের তুলনায় মাছের দাম কেজিতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কম। দেড় কেজি সাইজের ইলিশ ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ১ কেজি সাইজের ইলিশ ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম সাইজের প্রতি কেজি ইলিশ ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা এবং জাটকা ইলিশ ৫০০ থেকে ৬০০, থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি করছি।
ইলিশ বিক্রেতা বাপ্পি ইসলাম বলেন, শেষ মুহূর্তে এলসি বন্ধ থাকায় আজ খুলনার বিক্রেতারা কিছু ইলিশ পেয়েছে। ইলিশের আমদানি বেশি হলে ও দাম কমেনি। অনেকেই ইলিশ কিনতে দোকানে ভিড় করছেন, কিন্তু সাধ থাকলেও দাম সাধ্যের বাইরে থাকায় অনেকেই কিনছেন অন্য মাছ।
বাজারের বাইরের সড়কে ফুটপাতে মাছ বিক্রেতা আক্তার মোল্লা ফরিদ বলেন, বড় মাছের দাম অনেক। অনেকের ছোট মাছের দিকে ঝোঁক বেশি।

নগরীর বসুপাড়ার বাসিন্দা এস এম আকবর আহমেদ বলেন, বিক্রেতাদের মাইকিং শুনে বাজারে এসেছি। ব্যবসায়ীরা বড় ইলিশ ৫০০ টাকা করে বললেও কাছে গিয়ে দেখা যায় মাছের আকার ছোট। আধাঘণ্টা ধরে বাজারে ঘুরে দুই কেজি মাছ কিনেছি। গত মাসে ১ কেজি সাইজের মাছ ১৬০০ টাকায় কিনেছি, কিন্তু আজ সেই একই সাইজের ইলিশ ১৮০০ থেকে
২০০০টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন,দেশের মানুষ দেশের মাছ খাবে, কিন্তু দাম বেশি হওয়ার কারণে আজ অনেকের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশ। তাই অন্য মাছ কিনে দুধের সাধ ঘোলে মিটাচ্ছি।

বাজারে ইলিশ কিনতে আসা সোনাডাঙ্গার বাসিন্দা কাজী সারোয়ার বলেন, মাছের দাম চড়া। তিনটি ইলিশের ওজন এক কেজি। এক কেজি ইলিশ ১৮০০ টাকা দরে কিনেছি। শুনলাম ভারতে এলসি বন্ধ, তাই দাম কম ভেবে মাছ কিনতে ময়লাপোতা সান্ধ্য বাজারে এসেছি। কিন্তু এসে দেখি ভিন্ন অবস্থা। সরকার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এই জিম্মিদশা থেকে বের হতে না পারলে কোনোভাবে কোনো কিছুর দাম কমানো যাবে না।একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেল, রূপসা বাজার,মায়লাপোতা সন্ধ্যা বাজার, নিরালা বাজার, গল্লামারি বাজার, থানার মোড়, নিউমার্কেট বাজারে কিছু অংশ।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।