1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
বাগেরহাটে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান - Khulnar Khabor
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

বাগেরহাটে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৯৪ বার শেয়ার হয়েছে

অতনু চৌধুরী(রাজু)বাগেরহাট প্রতিনিধি || বাগেরহাট সদর উপজেলার এক সময়ের আদর্শ নাটইখালি বিদ্যাপীঠ ছিল অত্র এলাকার নামকরা প্রতিষ্ঠান অথচ হাজারো শিক্ষার্থীর পদচারণা নেই।

ফ্যাসিস্ট সরকারের বসিয়ে দেয়া প্রধান শিক্ষক সায়েবের দুর্নিতি স্বেচ্ছাচারীতা অনিয়ম ও কোটি টাকা আত্ম সাতের অভিযোগে মানববন্ধন বিক্ষোভ প্রতিবাদ ও স্মারক লিপি প্রদান।

বাগেরহাট জেলার সদরের অন্যতম এক সময়ের সেরা বিদ্যাপীঠ মাধ্যমিক নাটইখালির প্রধান শিক্ষক মোঃ সোয়ায়েবুল ইসলামের একাধিক দুর্নীতি অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতা শিক্ষক পিয়ন নিয়েগে ও পুর্বতন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোল্লা আঃ জব্বারের স্বাক্ষর জাল করে চেকের মাধ্যমে সব টাকা উঠিয়ে নেয়ার অভিযোগ সহ কোটি টাকার অর্থ আত্মসাৎ এর বিরুদ্ধে সোমবার (৮ অক্টোবর) সকালে স্কুল প্রাঙ্গনে মানববন্ধন বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছে এলাকার সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষক বৃন্দ।

উপজেলা নির্বাহীর রেজুলেশন এবং ৫ জুলাই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার পরও তাকে বেতন দেয়া হলে এলাকার ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক ও এলাকার সচেতন বাসিন্দারা ক্ষোভে ফুসে ফেপে উঠে। গোটাপাড়া ইউনিয়নের সেরা স্কুল হিসেবে খ্যাত নাটইখালিতে পার্শ্ববর্তী কচুয়া ধোপাখালি ইউনিয়নের অধিকাংশ ছেলে মেয়েরা শিক্ষার্থী হিসেবে এখানে মাইলের পর মেইল কর্দমাক্ত হয়ে ক্লাস করতে আসতো।অনেক প্রতিথযশা নামি-দামি জনপ্রিয় ব্যক্তিরা এই স্কুল হতে শিক্ষালাভ করে দেশ বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে এই বিদ্যালয়টিকে করেছে আরও সমৃদ্ধ অধিক সন্মানিত ও পরিচিতির ব্যাপ্তি ঘটিয়েছে।

ফ্যসিস্ট সরকারের রাস্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের প্রেক্ষিতে তাদের দোসর হিসেবে এখানকার প্রধান শিক্ষক মো সোয়ায়েবুল ইসলাম একের পর এক দুর্নিতির সাথে জড়িত থেকে এই স্কুলটির পুরো কাঠামো ধংস করে দিয়েছে।বার বার আড়াই কোটি টাকার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাডেমিক ভবন নির্মানের টাকা ফেরত গিয়ে পাতিলা খালিতে অবশেষে সেই ভবনটি নির্মিত হলেও জায়গার সংকট দেখানো হয়েছে অথচ প্রধান শিক্ষক সায়েব স্কুলের জায়গা অবৈধভাবে দখলে নিয়ে সেখানকার হরেকরকম প্রজাতির লাখ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে অর্থ পকেটস্থ করে।

৫ জুলাই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এলাকার বিদগ্ধজন মাপ- ঝোপ করে যে জায়গা দখলমুক্ত করা হয় সেখানে একই সাথে পাচটি ভবন নির্মাণ করা যায়।মাসের মধ্যে শহর থেকে দু”তিন দিন স্কুলে উপস্থিত হয়ে পুরো হাজিরা খাতায় মাসের স্বাক্ষর করা যেমন অনৈতিক আর কখনও কোন ক্লাশ নেয়নি বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। আগ্রাসী মনোভাব এতোটাই কয়েকবার পুর্বতন জেলা প্রশাসক এর কাছে অভিযোগ এনেও তারা সুরাহা করতে ব্যার্থ হওয়ায় বলেন আপনারা আল্লাহর কাছে নালিশ জানান। প্রধান শিক্ষক সায়েব স্কুল কমিটির সভাপতি মোল্লা আঃ জব্বার এর মৃত্যুর পর তার স্বাক্ষর জাল করে নয়টি চেকের মাধ্যমে সব টাকা উত্তোলন করে।২০২৩ সালে ৩ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে।স্কুল গ্রাউন্ডের সকল গাছ বিনা রেজুলেশনে বিক্রি করে বিক্রি ও তার নিজ বাড়ির ফার্নিচার করেছে।শিক্ষকদের টিউশন ফি সম্পুর্ন আত্মসাৎ এ যেন তার বাবার টাকা।বাগেরহাট জেলা পরিষদ থেকে স্কুলের বেষ্টনী ওয়াল সংস্কার করার বররাদ্দকৃত এক লাখ আশি হাজার টাকা উত্তোলন করে মাত্র বিশ হাজার টাকা খরচ দেখিয়ে বাকিটা নিজ পকেটস্থ করে। সরকারি বই অতিরিক্ত উত্তোলন করে প্রকাশ্য বিক্রি করে দেয় যার কোন ভাগই কাউকে দেয়া হয়না।

পুকুর ইজারা দেওয়ার টাকা,প্রতিবছর এস এস সি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম ফিলাপের অতিরিক্ত টাকা বাধ্যতামূলক গরিব ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকেও জোর পুর্বক আদায় করে নিতো না হলে তারা পরীক্ষা দিতে পারবেনা।যে কারনে দু” হাজার শিক্ষার্থীর যে পদভারে প্রকম্পিত হতো স্কুল ক্যাম্পাস এখন সেখানে শতাধিক ছাত্রই নেই তারা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহে পাঠাদান করতে পাড়ি জমিয়েছে।স্কুলের সকল কর্মচারী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে অসদাচরণ তার যেন চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে কখনো কখনো বিনা কারনে শিক্ষার্থীদের প্রচন্ড মারপিট করতে ইতস্তত করতোনা। স্থানীয় শহীদ মোল্লার ছেলের নামে সায়েব অভিযোগ আনলে তার বাবা স্কুলে গিয়ে প্রকাশ্য ছেলেকে মারপিঠ করলেও প্রাধান শিক্ষক সোয়ায়েবুলের তীব্র রোষানল থেকে বাদ যায়নি পুনরায় তাকে গনপিটুনি দিয়ে আহত করে।এই স্কুলের খেলার শিরোখালি মাঠটিতে বারো মাসই ফুটবল খেলা এখানকার ঐতিহ্য হয়ে দাড়িয়েছিল মাঠ সংস্কারের নামে টনকে টন চাউলের টাকা ও ২০১৩-২০২৪ সালে ৭ জন আয়া পিওন ঝাড়ুদার নিয়োগ দিয়েছে প্রতিজনের কাছ থেকে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা আতস্মাত করে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে এ ব্যাপারে তার ভাগ্নে এ এস পি রুহুল আমিন গাজীর যথেষ্ট পৃষ্টপোষকতা ও সুযোগ গ্রহন করেন।গাজী রুহুল আমিনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান চাকরি দিলেও তার নামেও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর হিসেবে তার মামাতো ভাইকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দানে তার জোর প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে এই দ্বায়ভার তাকেও নিতে হবে বলে এলাকার ভুক্তভোগী হাজারো মানুষ জানান।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।