রাসেল আল ইসলাম – মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলার লাখো মানুষের অর্ধশতাব্দীর স্বপ্ন, পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু। দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রতিশ্রুতির পরও প্রকল্পটির দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় জনমনে বাড়ছে হতাশা ও ক্ষোভ।
আসছে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের ভোগান্তির শেষ থাকবে না। এখনো নৌপথ ও ফেরির ওপর নির্ভর করেই চলাচল করতে হচ্ছে মোরেলগঞ্জ, শরনখোলার প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষের, ফলে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায় প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত পানগুছি সেতুর দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ৩ মিটার। দুই লেনবিশিষ্ট এ সেতুতে থাকবে পৃথক ফুটপাথের ব্যবস্থাও। মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৯২ কোটি টাকা এবং নদী সংরক্ষণ (রিভার প্রোটেকশন ওয়াল) কাজে বরাদ্দ রাখা হয়েছে আরও ৬৫৯ কোটি টাকা।
২০২৩ সালের নভেম্বরে বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর মাটি পরীক্ষার কাজ শুরু হয়। নদীর দুই তীরেই সম্পন্ন করা হয় ভূতাত্ত্বিক জরিপ। সে সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ হলেই দ্রুত পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হবে প্রকল্প। কিন্তু বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও মূল নির্মাণকাজে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সেতু মন্ত্রী তাদের দুঃখ,দুর্দশা লাঘবে খুব শীগ্রই সেতূ নির্মান কাজ শুরু করবে। বর্তমান ফেরি সংকট,ফেরি চালক সংকট,দু দিন পর পর ফেরির পল্টন ভেঙে যায়,জনবল কম,আমাদের নিজস্ব অর্থে চুক্তিভিত্তিক লোক রেখে ফেরি পরিচালনা করতে হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সড়ক পরিবহন সেতু মন্ত্রীর কাছে দাবি কাছে দাবি ব্রিজ না হওয়া পর্যন্ত নতুন ফেরি ও পর্যন্ত জনবল নিয়োগ দেয়ার,যাতে মানুষের যোগাযোগ মাধ্যম সহজতর হয়। স্হানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আলীম বলেছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহন করে কাজ শুরু করেছে,পানগুছি নদীর উপরে সেতু নির্মান আমার একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি,মাটি পরীক্ষা হয়েছে,কনসালটেন্ট নিয়োগ হয়েছে,ঠিকাদার নিয়োগ সহ যাতে পানগুছি নদীর উপর সেতু নির্মান কাজ গতিশীল হয় সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও বাগেরহাটের সন্তান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর কাছে গিয়ে ঈদের আগে এ সেতু নির্মান কাজের অগ্রগতির ব্যাপারে খোজ নিবো।
পানগুছি সেতু বাস্তবায়িত হলে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, কৃষি ও মৎস্যপণ্য পরিবহন ব্যয় কমবে এবং সুন্দরবন সংলগ্ন পর্যটন শিল্পের বিল্পব ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।