1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
লোহাগড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণে অনিয়ম,তালিকা চাইতেই নানান তালবাহানা - Khulnar Khabor
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

লোহাগড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণে অনিয়ম,তালিকা চাইতেই নানান তালবাহানা

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ২৬৫ বার শেয়ার হয়েছে

লোহাগড়া নড়াইল প্রতিনিধি।।নড়াইল-২ সংসদীয় আসনে ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের আওতায় বিতরণ করা শাড়ি ও নগদ অর্থ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের একাংশ দাবি করেছেন, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী এক হাজার টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও তারা শুধু শাড়ি পেয়েছেন, নগদ অর্থ পাননি। এছাড়া বিতরণ কার্যক্রমে কোনো মাস্টাররোল বা উপকারভোগীর তালিকা সংরক্ষণ না করার অভিযোগও উঠেছে।

জানা গেছে, ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে নড়াইল-২ সংসদীয় আসনে (লোহাগড়া ও নড়াইল সদরের একাংশ) প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা নগদ অর্থ এবং ৭০০টি শাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নড়াইল -২ আসনের ২০টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ১৯৮টি ওয়ার্ডে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, লোহাগড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রকৃত উপকারভোগীদের সবাই সেই অর্থ পাননি। বরাদ্দ অনুযায়ী ৫৫৮ জনকে এক হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও অনেক নারী জানিয়েছেন, তারা শুধুমাত্র শাড়ি পেয়েছেন।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, অনেক উপকারভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা অসহায় গরিব মানুষ আমরা যদি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার না পায় তাহলে কারা পেল? আবার অনেকেই বলছেন“আমাদের শাড়ি দিয়েছে, কিন্তু এক হাজার টাকা দেয়নি।”স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক জায়গায় কোনো স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা বা মাস্টাররোল ছাড়াই নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আবার কোথাও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রকৃত অসহায়দের বাদ দিয়ে নিজেদের লোকজনের মধ্যে সহায়তা বণ্টনের অভিযোগও উঠেছে।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর মাধ্যমে এসব অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বরাদ্দের একটি অংশ দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বণ্টন করা হলেও প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের অনেকে সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখার সহকারী সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন বলেন,আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট থেকে মোট ৩০৪ জনের তালিকা দিয়েছিলাম এবং সেই তালিকা অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে। তবে জামায়াতের মধ্যেও যারা অসহায় ও দুঃস্থ ছিল, তাদেরকেও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।”

অন্যদিকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান বলেন,আমাদের বিএনপিকে প্রায় ১৫০টির মতো দেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো তালিকা ছাড়াই বিতরণ করা হয়েছে।সচেতন মহল বলছেন, এমনিতেই বিতরণ কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা, তার ওপর জামায়াতের ৩০৮ জোনের তালিকা ও বিএনপি’র ১৫০ জন, তাহলে বাকি ১০০ জনের তালিকা গেল কোথায়?

অভিযোগ রয়েছে, পুরো বিতরণ কার্যক্রমে যথাযথ মাস্টাররোল, স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা কিংবা উপকারভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি, যা সরকারি সহায়তা বিতরণের নীতিমালার পরিপন্থী। এছাড়া রাজনৈতিক ব্যক্তিরা তাদের নিজেদের মতো করে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন বলেই অসচ্ছতা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উপকারভোগীদের।

এ বিষয়ে তথ্য জানার জন্য লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার-এর কাছে একাধিকবার মাস্টাররোল ও উপকারভোগীদের তালিকা চাওয়া হলেও ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও তা পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এই বিতরণ কার্যক্রমে আমার উপস্থিত থাকা ছাড়া অন্য কোনো ভূমিকা নেই।”

অন্যদিকে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের (পিআইও) অফিস সহকারী অভিজিৎ কুমার মন্ডল-কে তালিকা সরবরাহের নির্দেশ দেন নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার। কিন্তু অভিজিৎ কুমার মন্ডল কয়েকদিন ধরে তালিকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাংবাদিককে ঘুরানোর পাশাপাশি টাকার প্রস্তাবও দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপরও এখন পর্যন্ত কোনো মাস্টাররোল বা উপকারভোগীদের তালিকা সরবরাহ করা যায়নি।

এ বিষয়ে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন,“প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ উপহার আমি নিজে উদ্বোধন করেছি এবং তালিকা অনুযায়ী অনেকের মাঝে বিতরণও করেছি। এছাড়া আমাদের নেতাকর্মীরাও লোহাগড়া উপজেলার নির্ধারিত তালিকা অনুসারে উপহার বিতরণ করেছে। তবে লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউএনও’র মাধ্যমে কীভাবে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, সে বিষয়ে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তালিকার বাইরে বিতরণের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে আমি ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিব।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে,গরিব, অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর জীবনের প্রথম, ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সহায়তা কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা খুবই দুঃখজনক। এর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত উপকারভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, বিতরণের সঠিক হিসাব জনসম্মুখে আনা এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।