1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
মেট্রোপলিটন কলেজ খুলনার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন - Khulnar Khabor
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

মেট্রোপলিটন কলেজ খুলনার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮৮ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর || মেট্রোপলিটন কলেজ খুলনার সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালির নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীর মিলনায়তনে কলেজের গভর্নিং বডি (এডহক কমিটি) এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সভাপতি মো. মাসুদ পারভেজ বাবু।

তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর দিবাকর বাওয়ালি আত্মগোপনে চলে যান এবং একই মাসে পরিবারসহ ভারতে চলে যান। ছুটি বা অনুমতি ছাড়াই দেশত্যাগ করে তিনি কলেজে আর যোগদান করেননি। এ ছাড়া তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি উপেক্ষা করে সহকারী অধ্যাপক এস এম রওনাকুজ্জামানকে অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিয়ে যান।

একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলেও কোনো জবাব দেননি তিনি। ফলে ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, অধ্যক্ষ থাকাকালীন সময়ে দিবাকর বাওয়ালি কলেজের আয় ব্যাংকে জমা না করে আত্মসাত করেছেন। শুধু ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ফি থেকেই তিনি আত্মসাত করেন ১ লাখ ১২ হাজার ৫৩৪ টাকা। ২০১৮ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অফিস সহায়ক, ল্যাব এসিস্ট্যান্ট ও অফিস সহকারী পদে ভূয়া নিয়োগপত্র দিয়ে অসংখ্য ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। কলেজের এক শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের লিখিত স্বীকারোক্তিতেও তার এই নিয়োগ বাণিজ্যের প্রমাণ মিলেছে, যেখানে উল্লেখ আছে ৩৩ জনের কাছ থেকে এক কোটিরও বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে চলমান।

এছাড়া দিবাকর বাওয়ালি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বরখাস্তের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন তুলে তাকে দিতে বাধ্য করেছেন। তিনি কিস্তি পরিশোধ না করায় বর্তমানে বহু শিক্ষক-কর্মচারী মামলায় জড়িয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিম কলেজে পরিদর্শন করতে এলে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে কেসিসির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর, আইন শৃঙ্খলা বাহিনির সদস্য, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার উপস্থিতিতে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের তালা ভেঙে দেখা যায়, তিনি আগেই শিক্ষক হাজিরা খাতা, রেজুলেশন খাতা, বিল-ভাউচারসহ বহু নথি সরিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া ৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ, প্রিন্টারসহ মূল্যবান সরঞ্জামও নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
গভর্নিং বডির সভাপতি আরও অভিযোগ করেন, দিবাকর বাওয়ালি বর্তমানে ভারতে বসেও সহযোগীদের মাধ্যমে কলেজ ও কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন। এবং কলেজের সভাপতি ও শিক্ষকদের নামে প্রায় ২০টি মামলা দায়ের করেছেন। তার সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা কলেজের বহিস্কৃত অধ্যক্ষ এস.এম. মোমিনুল ইসলামসহ কয়েকজন কাজ করছেন। তারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে কলেজের দাতা সদস্য সাজানোরও চেষ্টা করেছেন, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান এডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কোনো নিয়োগ কার্যক্রম চালায়নি। বরং দিবাকর বাওয়ালি দীর্ঘদিন অধ্যক্ষ থাকাকালীন সময়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন।
সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কলেজের সভাপতি বলেন, “দিবাকর বাওয়ালির অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে। আমরা আশা করি গণমাধ্যম অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই দুর্নীতিবাজের মুখোশ উন্মোচন করবে এবং কলেজের সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলেজের হিতৈষী সদস্য ইয়াসীন আরাফাত রুমী, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: তাইফুজ্জামান, শিক্ষক প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান শামীম, শিক্ষক এফ এম মিজানুর রহমান, শেখ মইনুদ্দীন, মাহাবুবুর রহমান মোড়ল, শফিকুল ইসলাম খান, হাবীবুল্লা আব্বাসী, শরিফুল আলম, আঃ সালাম পাইক, এস এম আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।