1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
দিঘলিয়ায় মাদ্রাসা পরিচালনার নামে সরকারি অর্থ লোপাটের মহোৎসব: ইয়াতিমদের নামে বরাদ্দসহ প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ - Khulnar Khabor
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

দিঘলিয়ায় মাদ্রাসা পরিচালনার নামে সরকারি অর্থ লোপাটের মহোৎসব: ইয়াতিমদের নামে বরাদ্দসহ প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৯ বার শেয়ার হয়েছে

দিঘলিয়া খুলনা প্রতিনিধি।। খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের লাখোহাটি আজিজুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম মাদ্রাসার কতিপয় সদস্যের যোগসাজসে মাদ্রাসা পরিচালনায় নানা অনিয়ম, দুর্ণীতি এবং সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া ও সরেজমিনে মাদ্রাসা পরিদর্শনে জানা যায়, দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের লাখোহাটি গ্রামে অবস্থিত আজিজুল উলুম কাওমী মাদ্রাসাটির উন্নয়নে।

সরকারি বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে ইতিপূর্বে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে এই প্রকল্পে ১ লক্ষ ৫১ হাজার ২৬০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সরেজমিনে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থই আত্মসাৎ করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটিতে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির স্পষ্ট ছাপ পাওয়া গেছে। দিঘলিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ জামাল হুসাইন সাংবাদিকদের জানান, সমুদয় অর্থ দুই কিস্তিতে মাদ্রাসাটির মুহতামিমের নিজস্ব একাউন্টে দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইন্তাজ উদ্দিন সাংবাদিকদের কাছে সম্পূর্ণ টাকা দুই কিস্তিতে তিনি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান।

কিন্তু গত ৩১ মার্চ উক্ত মুহতামিম সাংবাদিকদের জানান তিনি ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন এবং মাদ্রাসা তহবিল থেকে নিয়ে ৭৩ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ করেছেন। এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসা বাকী ১ লাখ ১ হাজার ২৬২ টাকা গেলো কোথায়? তিনি উন্নয়নের খরচ ও ভাউচার দেখাতে পারেন নি। সরেজমিনে তদন্তে দেখা যায়, ১ লক্ষ ৫১ হাজার ২৬০ টাকা বাজেটের বিপরীতে মাদ্রাসার ঘরটি তৈরিতে অত্যন্ত নিম্নমানের এবং মরিচা ধরা পুরনো টিন ব্যবহার করা হয়েছে ঘরটির তিন দিকে টিনের বেড়া দেওয়া হলেও অবশিষ্ট দেওয়াল হিসেবে অন্য ঘরের দেওয়াল ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রকল্পের সভাপতি ও মাদ্রাসা মোহতামিম মাওলানা ইন্তাজ উদ্দিন জানিয়েছেন, এই কাজের জন্য এলাকার মানুষের কাছ থেকে ৩০টি বাঁশও সংগ্রহ করা হয়েছে। একইসাথে তিনি আরও জানান, প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের বাইরেও মাদ্রাসার নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ২৩ হাজার টাকা এই কাজে ব্যয় করা হয়েছে। অথচ বাস্তব চিত্র বলছে, সম্পূর্ণ ঘর ও টয়লেট নির্মাণে কোনোভাবেই ৭০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় করা হয় নি। প্রকল্প কমিটির কোনো রেজুলেশনও দেখাতে পারেন নি।

এমনকি উক্ত মাদ্রাসায় ৭ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে সহকারী শিক্ষকদের রাখা হয়নি। এদিকে শিক্ষক নিয়োগে কোনো নিয়ম নীতি মানা হয়না। শিক্ষকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়না। ইচ্ছামত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় এবং প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে যখন তখন শিক্ষকদের পেটে লাথি মারা হয়। মুখের কথায় শিক্ষকদের বের করে দিয়ে নতুন শিক্ষক নেওয়া হয়। কোনো রেজুলেশনের প্রয়োজন হয়না। সরেজমিনে তদন্তে জানা যায়, মাদ্রাসার মুহতামিমের একাউন্টে সম্পূর্ণ টাকা দুই কিস্তিতে পাওয়ার কথা পূর্বে জানালেও গত মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের জানান তিনি ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন। একটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান একেক সময় ভিন্ন কথা বলায় তার সততা ও সচ্ছতা নিয়ে জনমনে ও অভিভাবকমহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ জামাল হুসাইন বলেছেন বরাদ্দকৃত সম্পূর্ণ অর্থ দুই কিস্তিতে মাদ্রাসার মুহতামিমের একাউন্টে দেওয়া হয়েছে। যদি এ অর্থ নয় ছয় হয় তবে মাদ্রাসার মুহতামিমই দায়ী হবেন। এদিকে উক্ত মাদ্রাসায় অর্ধশত ইয়াতিমের তালিকা জমা দিয়ে দিঘলিয়া উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরের মাধ্যমে মাসে মাসে লাখ লাখ টাকা উত্তোলন করে মাদ্রাসার কতিপয় আস্থাভাজন সদস্যদের নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করে আত্নসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ মাদ্রাসাটিতে কোনো ইয়াতিম ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাদের নিয়মিত রান্নাও হয়না। সমাজ সেবা দপ্তরের জনৈক কর্মকর্তার মাদ্রাসাটি সরেজমিনে পরিদর্শনে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানা যায়।

সরকারি অর্থের এই প্রকাশ্য লুটপাট রুখতে এবং এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবী করেছেন এলাকার বিজ্ঞ ও সচেতন মহল।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।