1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
দিঘলিয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইন - Khulnar Khabor
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

দিঘলিয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইন

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২১১ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনা ব্যুরো প্রধান।।খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় উন্নয়ন কার্যক্রমে এক নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ জামাল হুসাইন। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি নিজের সততা, কর্মদক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে দিঘলিয়া উপজেলার উন্নয়ন অঙ্গনে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা এখন স্থানীয়ভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দৃশ্যমান পরিবর্তন
দিঘলিয়া উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেন। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে চলমান বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প—গ্রামীণ সড়ক, অবকাঠামো সংস্কার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কর্মসৃজনমূলক প্রকল্প—সব ক্ষেত্রেই তিনি সরাসরি মাঠে নেমে তদারকি নিশ্চিত করছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, আগে অনেক প্রকল্প কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে প্রতিটি কাজ বাস্তবসম্মতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। কাজের মান, সময়সীমা এবং ব্যয়—এই তিনটি বিষয়েই পিআইও জামাল হুসাইন কঠোর নজরদারি রাখছেন।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে তদারকি
দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পিআইও জামাল হুসাইন প্রায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে ছুটে বেড়ান।

কখনো ইউনিয়ন পরিষদ, কখনো ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রকল্প এলাকা—সবখানেই তার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।এক ইউপি সদস্য বলেন,আমরা প্রথমে ভাবিনি যে একজন পিআইও এতটা সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করবেন। কিন্তু জামাল স্যার নিজে উপস্থিত থেকে প্রতিটি কাজ পরিদর্শন করেন, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গুণগত মান নিশ্চিত না হলে কোনো ছাড় দেন না।”

গুণগত মান ও স্বচ্ছতার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব
পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো—তিনি কাজের গুণগত মানের সঙ্গে কোনো আপস করেন না। স্থানীয়রা জানান, নিম্নমানের কাজ বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলেই তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।তার কঠোর অবস্থানের ফলে ঠিকাদারদের মধ্যেও এক ধরনের শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।

উন্নয়ন কাজ এখন আর দায়সারা ভাবে নয়, বরং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করেই সম্পন্ন হচ্ছে। এতে করে সরকারি অর্থের অপচয় কমেছে এবং সাধারণ মানুষ টেকসই উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে।জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক শুধু প্রশাসনিক দক্ষতাই নয়, পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইনের ব্যক্তিগত আচার-আচরণও প্রশংসার দাবিদার। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আচরণ অত্যন্ত ভদ্র, বিনয়ী ও সহানুভূতিশীল।একাধিক ইউপি সদস্য জানান,
“জামাল স্যার সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। কোনো সমস্যার কথা বললে তিনি গুরুত্বসহকারে তা বিবেচনা করেন এবং যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা করেন।

তার ব্যবহার আমাদের সঙ্গে কাজ করাকে আরও সহজ করে তুলেছে।”
উন্নয়ন কাজে ফিরেছে মানুষের আস্থা
দিঘলিয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যেও এখন উন্নয়ন কাজ নিয়ে নতুন করে আস্থা তৈরি হয়েছে। রাস্তা সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় মানুষ মনে করছেন—সরকারি সেবা সত্যিকার অর্থেই তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছাচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, একজন সৎ ও দায়িত্বশীল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কারণে উন্নয়ন কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ায় দুর্নীতি ও অবহেলার সুযোগ অনেকটাই কমে এসেছে।
সুশাসনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ
বর্তমান সময়ে যখন সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে, তখন দিঘলিয়া উপজেলার পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইন সুশাসনের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছেন।

তার সততা ও পেশাদারিত্ব শুধু প্রশাসনের ভেতরেই নয়, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মাঝেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা দিঘলিয়া উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের প্রত্যাশা—পিআইও মোহাম্মদ জামাল হুসাইন তার এই কর্মস্পৃহা ও সততার ধারা অব্যাহত রাখবেন। তার নেতৃত্ব ও তদারকিতে উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দিঘলিয়া একটি আদর্শ উন্নয়নবান্ধব উপজেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে—এমনটাই আশা সবার।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।