1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
কেশবপুরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৫৫ লাখ টাকা ও ৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ - Khulnar Khabor
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

কেশবপুরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৫৫ লাখ টাকা ও ৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ১১৭ বার শেয়ার হয়েছে

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর।।যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কেশবপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। টিআর, কাবিটা ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় টিআর (বিশেষ), কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পে মোট ৫৫ লাখ টাকা এবং ৪০ মেট্রিক টন চাল-গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক অবকাঠামো এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে এসব প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।প্রকাশিত প্রকল্প তালিকা অনুযায়ী, টিআর কর্মসূচিতে ৩০ লাখ টাকা, কাবিটা কর্মসূচিতে ২৫ লাখ টাকা এবং কাবিখা কর্মসূচিতে ২০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব বরাদ্দের বিপরীতে মোট ৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

টিআর কর্মসূচির আওতায় ১ নম্বর ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের শ্রীশ্রীয়ামপুর ও শেখপাড়া এলাকায় মন্দির ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, ২ নম্বর সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের সাগরদাঁড়ি ও মালোপাড়া এলাকায় মন্দির সংস্কার এবং রাস্তা উন্নয়ন, ৩ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়নের পাগড়াপাড়া, প্রতাপপুর ও মাজিদপুর এলাকায় মসজিদ সংস্কার ও সড়ক উন্নয়ন, ৫ নম্বর মঙ্গলকোট ইউনিয়নে কালী মন্দির সংস্কার, ৬ নম্বর কেশবপুর ইউনিয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ উন্নয়ন, ৮ নম্বর সুফলাকাটি ইউনিয়নে মন্দির, বিদ্যালয় ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ৯ নম্বর গৌরীঘোনা ইউনিয়নে একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট ও মসজিদ সংস্কারের কাজ করা হবে।

এছাড়া পৌরসভার ১, ৪ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কালী মন্দির, মসজিদ, কেশবপুর পৌর কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজ, কেশবপুর প্রেসক্লাব এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ৭ নম্বর পাঁজিয়া ইউনিয়নের সাগরভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, ৮ নম্বর সুফলাকাটি ইউনিয়নের আড়ুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, ৪ নম্বর বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের বাউশলা দাখিল মাদ্রাসা মাঠ, ৫ নম্বর মঙ্গলকোট ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ এবং ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি হাসানপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ২০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের বিপরীতে ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের মির্জানগর এলাকায় মসজিদ থেকে মাদ্রাসা মোড় পর্যন্ত সড়ক, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের মির্জাপুর থেকে ঈদগাহ পর্যন্ত সড়ক এবং মজিদপুর ইউনিয়নের প্রতাপপুর উত্তরপাড়া এলাকায় গ্রামীণ রাস্তার উন্নয়ন করা হবে।
অন্যদিকে ২০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দের বিপরীতে ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের শেখপাড়া এলাকায় আবুল হেরা মসজিদ সংলগ্ন সড়ক এবং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের মালোপাড়া থেকে শিব মন্দির পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, বলেন, উন্নয়নের সুফল যাতে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই স্থানীয় জনগণের চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রকল্প নির্বাচন করা হয়েছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমরা বদ্ধপরিকর।

অধ্যাপক মোক্তার আলী আরও বলেন, কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যেসব এলাকায় এখনো কাজ শুরু হয়নি, সেসব স্থানেও পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হবে। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে কেশবপুরের প্রতিটি অঞ্চলে সমানভাবে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
প্রকল্প তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বরাদ্দের বড় অংশ ব্যয় করা হচ্ছে ত্রিমোহিনী, সাগরদাঁড়ি, মজিদপুর, সুফলাকাটি, গৌরীঘোনা, হাসানপুর, পাঁজিয়া, বিদ্যানন্দকাটি, মঙ্গলকোট ও কেশবপুর সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ উন্নয়ন এবং গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত, শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।