1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংকটের ছড়াছড়ি অ্যাম্বুলেন্স আছে, ড্রাইভার নেই; যন্ত্রপাতি আছে, নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক - Khulnar Khabor
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংকটের ছড়াছড়ি অ্যাম্বুলেন্স আছে, ড্রাইভার নেই; যন্ত্রপাতি আছে, নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ২৩২ বার শেয়ার হয়েছে

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি।।খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট, চিকিৎসক স্বল্পতা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল হলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ রোগীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের চত্বরে দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও চালক না থাকায় সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে জরুরি রোগী ও দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠাতে ভাড়া করা যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, তেমনি রোগীর স্বজনদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।স্থানীয় কয়েকজন রোগীর স্বজন জানান, জরুরি মুহূর্তে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়ায় তাদের ব্যক্তিগত খরচে রোগী পরিবহন করতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

অপারেশন থিয়েটারে যন্ত্রপাতি থাকলেও বন্ধ অস্ত্রোপচার
হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি, অ্যানেসথেশিয়া মেশিন এবং ওটি লাইটসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম থাকলেও বিশেষজ্ঞ সার্জন ও অ্যানেসথেসিস্ট না থাকায় নিয়মিত অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে সাধারণ অপারেশনের প্রয়োজন হলেও রোগীদের খুলনা বা অন্যত্র রেফার করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থে কেনা মূল্যবান যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় সেগুলোর কার্যকারিতাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বহির্বিভাগে চিকিৎসক সংকট হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রোগীদের টিকিট বিতরণ শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ে সব কক্ষে চিকিৎসক পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক রোগী জানান, চিকিৎসকের অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুপুর পর্যন্ত চিকিৎসক না আসায় রোগীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

সেবা নিতে আসা কয়েকজন রোগী বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে হাসপাতালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না।
এনসিডি কর্নারে ওষুধ সংকট ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ অসংক্রামক রোগীদের জন্য হাসপাতালের এনসিডি কর্নার চালু থাকলেও নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ না থাকার অভিযোগ রয়েছে। রোগীরা জানান, অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ পেলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ হাসপাতাল থেকে না পেয়ে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।
জনবল নিয়ে প্রশ্ন হাসপাতালের বিভিন্ন পদে জনবল সংকটের পাশাপাশি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কর্মচারী তাদের মূল দায়িত্বের বাইরে অন্য কাজে নিয়োজিত থাকছেন। এসব বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি।

কয়রা উপজেলার সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটিতে দ্রুত চিকিৎসক, সার্জন, অ্যানেসথেসিস্ট ও অ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়োগ দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জনবল সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ কয়রা উপজেলার মানুষের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র। তাই হাসপাতালের বিদ্যমান সংকট দ্রুত সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।