খুলনা প্রতিনিধি।। মাত্র ৪৫ দিনের জন্য গঠিত আহ্বায়ক কমিটি কীভাবে দেড় বছর ধরে খুলনা প্রেসক্লাবের ঘাড়ে চেপে বসে আছে? সাংবাদিক সমাজের মুখে এখন একটাই জবাব: **গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন, সদস্যপদ নিয়ে কারসাজি এবং ফ্যাসিস্ট কায়দায় নেতৃত্ব ধরে রাখা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে ডিজিএফআই প্রধান কর্নেল আসাদের মধ্যস্থতায় গঠিত হয় সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি—এনামুল, টুটুল, মিজানুর রহমান মিল্টন, কৌশিক দে বাপ্পি, দিদারুল আলম, আহমদ মুসা রঞ্জু ও আশরাফুল ইসলাম নুর। নিয়ম ছিল ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়া। কিন্তু বাস্তবে তারা মেয়াদ বারবার বাড়িয়ে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে, বিরোধীদের সদস্যপদ কেড়ে নিয়ে ক্লাবের ভারসাম্য বদলে দেয়—যা গঠনতন্ত্রের ৯(খ) ধারা অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আজ রোববার ১৫ মার্চ সকালে তড়িঘড়ি সাধারণ সভায় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আয়োজন করা হয়েছে। সদস্যদের ক্ষোভ: “এটা সংস্কার নয়, গঠনতন্ত্র ভাঙার পর নিজেদের রক্ষার নাটক।” সাবেক সাধারণ সম্পাদকরা বলছেন, গঠনতন্ত্র সংশোধন ছাড়া এসব সিদ্ধান্তের কোনো ভিত্তি নেই।
পেশাদার সাংবাদিকদের একটাই দাবি—ভণ্ডুল কমিটির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং অবিলম্বে গঠনতন্ত্রসম্মত নির্বাচন। নইলে খুলনা প্রেসক্লাবের ভিতরের ক্ষোভ বিস্ফোরণের অপেক্ষায়।
Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।