1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
‎নওগাঁর মান্দায় কৃষি কর্মকর্তা যোগসাজশে সার সিন্ডিকেটের অভিযোগ - Khulnar Khabor
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেশবপুরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ঘটনায় জড়িত লম্পট রাজু মোল্যা আটক জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে গণমিছিল-সমাবেশ কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে মোল্লাহাটে  জুলাই  গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সংবর্ধনা আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলায় জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আজিজুল বারী হেলাল মোংলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” উদযাপন কয়রায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে দিঘলিয়ার দৌলতপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা কেশবপুরে ফার্মেসিতে এসে ক্ষত দেখিয়ে চিকিৎসা নিল হনুমান বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি মোংলায় নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে RO প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন কোস্ট গার্ড কয়রায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মান প্রকল্প ঘিরে হামলা ও গুলি বাগেরহাটে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটের ৬ সাংবাদিক পেলেন নিরাপত্তা সরঞ্জাম নড়াইলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলেন জুলাই যোদ্ধারা

‎নওগাঁর মান্দায় কৃষি কর্মকর্তা যোগসাজশে সার সিন্ডিকেটের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫২ বার শেয়ার হয়েছে

‎আমজাদ হোসেন নওগাঁ।।‎নওগাঁর মান্দায় কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিনকে ম্যানেজ করে নানা অজুহাতে সার সংকট দেখিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত দামের রাসায়নিক সার বিক্রয় ওজনে দেয়া সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ডিলারদের বিরুদ্ধে। প্রকারভেদে বস্তা প্রতি তিন থেকে চারশ টাকা অতিরিক্ত ধরে সার কিনতে হয় কৃষকদের।

এতে অতিরিক্ত দামে সার কিনে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা। সচেতন মহলের অভিযোগ কৃষি অফিস এবং ডিলারদের সিন্ডিকেটের ফাঁদে কৃষক কাঁদে। নানা অব্যবস্থাপনা আর কৃষি কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় এমন সিন্ডিকেটের খুঁট গেড়েছে ডিলাররা। দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল তাই দ্রুত কৃষকদের বাঁচাতে এ দুর্নীতিবাজ কৃষি কর্মকর্তা ও ডিলারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার কৃষক শামসুল ইসলাম এবং শ্রী স্বপন কুমার অভিযোগ করে বলেন, ভাই ভাই ট্রেডার্স ডিলারের কাছে গিয়ে কখনোই সার পাওয়া যায়না, নানা অজুহাত এখন নয় তখন তখন নয় কাল আসেন কিন্তু ১৩৫০ টাকা বস্তা ইউরিয়া সার ১৪৫০ টাকা ১৫শ টাকা দিলে তারা সার দেয়। একই এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম ও আব্দুল মান্নান বলেন, ১০৫০ টাকার ডিএপি ১২৫০ টাকা না দিলে পাওয়া যায় না।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম জানান, এই ডিলারের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ সে কারো কোনো কথাই শোনে না সময়মতো সার দেয় না এবং অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে। অতিরিক্ত দামে সার বিক্রয়ের বিষয়ে সরেজমিনে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন অনুসন্ধান গিয়ে  ভাই ভাই ট্রেডার্স এর সত্তাধিকারী যুগল চন্দ্র মন্ডল বিসিআইসি ডিলার হলেও পরিচালনা করেন তার ভাই সুবল চন্দ্র মণ্ডল তিনি বলেন এগুলো গোপন কথা বলা হয় না আবার না বললেও চলে না, প্রতিমাসে কৃষি কর্মকর্তাকে দশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এজন্য কিছু কিছু সময় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করতে হয়।

তিনি আরো বলেন চার মাসের চল্লিশ হাজার টাকা মাসোহারা বাকি ছিল এজন্য কৃষি কর্মকর্তা আমাকে হুমকিও দিয়েছেন। বিসিআইসির ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জীবন কুমার কুন্ডু বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর ২৬ শে মার্চ ২১শে ফেব্রুয়ারি সহ নানা দিবসসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রত্যেকটি ডিলারের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করে কৃষি অফিসে দিতে হয়। কিন্তু অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। পরানপুর ইউনিয়নের কৃষক সাইফুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, হুমায়ুন বলেন ইরি বোরো মৌসুমী ডিলারের কাছে গিয়ে সার পাওয়া যায় না তাই বাধ্য হয়ে বাজার থেকে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হয়। চককানো গ্রামের কৃষক মোবারক হোসেন বলেন, ডিলারের কাছে স্যার পাওয়া যায় না সময় মত। আর যা পাওয়া যায় এতেও পাঁচ থেকে ছয় কেজি ওজনের কম থাকে প্রতি বস্তায়। প্রসাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মন্ডল বলেন, ডিলার পয়েন্টে নাকি কৃষকরা সার পায়না, পেলেও অতিরিক্ত দাম দিতে হয় এমন অভিযোগ প্রায়ই করে কৃষকরা।

তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান কামরুল বলেন, আমার ইউনিয়নের সাবাইহাট এলাকায় বেশ কয়েকটা ডিলার পয়েন্ট হয়েছে। কৃষকদের স্যার সময়মতো দেওয়া হয় না অথচ বাহিরে গাড়ি গাড়ি ছাড় বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এ ধরনের অভিযোগ প্রায়ই কৃষকরা এসে করে থাকেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই প্রত্যেকটা এলাকায় মনিটরিং এর মাধ্যমে সিন্ডিকেটের মুখোশ উন্মোচন করে জনগণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। অপরদিকে কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ২৫-২৬ অর্থবছরের চাহিদা রয়েছে, ইউরিয়া ১০২৭০ মেট্রিক টন, টিএসপি ২০০৪ মেট্রিক টন, ডিএপি ৫৫১২ মেট্রিক টন, এমওপি ৩৬৬০ মেট্রিক টন, জিপসাম, ১৯১০ মেট্রিক টন, জিংক সালফেট, ৬৪৩ মেট্রিক টন, ম্যাগনেসিয়াম, ৬১৯, মেট্রিক টন। মান্দায় ১৪ টি ইউনিয়নে ১৫ জন বিসিএইসি এবং ২০ জন বিএডিসি ডিলার রয়েছে।

এসব ডিলারের মাধ্যমে উপজেলায় বিভিন্ন ফসলের জন্য সঠিক সময়ের কৃষকের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রয়ের কথা থাকলেও কৃষি কর্মকর্তার যোগসাজশে সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছে এমনটাই অভিযোগ কৃষকের। এসব অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারের কোন সংকট নেই, তবে কিছু কিছু জায়গায় কৃত্রিম সংকটের দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির খবর পেয়েছি। অনুসন্ধান চলছে দ্রুত সেগুলোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে প্রতিমাসে ডিলারদের কাছে ১০ হাজার করে টাকা মাসোহারা নেয়ার বিষয় তিনি মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণীত বলে দাবি করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী বলেন, সার সংকট কিংবা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ পেলে মোবাইলকোটের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোঃ মেহেদুল ইসলাম জানান, জেলায় সারের যে চাহিদা এতে সংকটের কোন কারণ নেই। তবে কিছু কিছু জায়গায় ডিলার পয়েন্টে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত করে সেগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মান্দা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতি মাসে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ডিলার। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১নং আমাদী ইউনিয়নের পশ্চিম দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস তার ভোগদখলীয় ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বজিৎ দাস উল্লেখ করেন, তার পৈতৃক ও ভোগদখলীয় মোট ১.৫৬ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই এলাকার আব্দুল গফফার মোড়ল, জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও ইউসুফ মোড়ল তার জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে বিভিন্ন সময়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে বিবাদীরা প্রথমে জমি মাপজোকের কথা বলে এবং পরবর্তীতে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জমির কাগজপত্র উপস্থাপন করলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি বিশ্বজিৎ দাসের দখলীয় বলেই মত দেন। এরপরও বিবাদীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগে আরও বলেন, গত ১ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ০.১৪ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা জমিতে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং জমির সীমানা পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তার অবশিষ্ট জমিও দখলের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে তিনি নিজের জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ দাস কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল গফফার মোড়লের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনিভাবেই সমাধান হবে।”এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।