1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
কেশবপুরে ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় মানুষের হাট - Khulnar Khabor
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
বাগেরহাটে বজ্রপাতে এক দিনমজুরের মৃত্যু দিঘলিয়ায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি: প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামাল হুসাইনের কৃতিত্ব কেশবপুরে ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় মানুষের হাট তেরখাদা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে নবনির্মিত নেভি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন মহেশ্বরপাশা সিএসডি খাদ্য গুদামের ভিতরে অগ্নিসংযোগ: আনুমানিক ২ লাখ টাকার ক্ষতি, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি যশোর মনিরামপুরে নির্মাণ কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাজমিস্ত্রি দগ্ধ কয়রার মহেশ্বরীপুরে টিসিবির পণ্য বিতরণ, স্বস্তিতে নিম্নআয়ের মানুষ লোহাগড়ায় চোরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় চোরদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন রাজধানীর নিউমার্কেট বটতলায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহ’ত সুন্দরবন সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে “আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন-২০২৬” অনুষ্ঠিত নড়াইলের কালিয়ায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধান চাষাবাদ প্রযুক্তি নিয়ে কৃষক মাঠ দিবস ও নমুনা শস্য কর্তন দিবস পালিত নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারি মায়ের পাশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেশবপুর সাহাপাড়া এলাকায় মেয়ের হাতে মা খুন, আটক-১ মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে কঠোর অবস্থান আমিনুল হকের যশোর নিউমার্কেট এলাকায় তরুণীকে ছুরির আঘাত কেশবপুরে ২৩ বছর ধরে যুবদলের কমিটি নেইঃ তৃণমূলে হতাশা খুলনা প্রেসক্লাবে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের নিন্দা ও প্রতিবাদ দিঘলিয়ায় হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে মাসব্যাপী অভিযান শুরু যশোরে ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ উদ্বোধন, উলশী–যদুনাথপুর খাল পুনঃখননের সূচনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কেশবপুরে ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় মানুষের হাট

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২ বার শেয়ার হয়েছে

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর।।কেশবপুরে ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় মানুষের হাট। হাটে বিক্রি হচ্ছে মানুষ। দরদাম চলছে যেন পণ্যের মতো। প্রথমবার এ কথাটি শুনতে অবাক লাগলেও, এটাই নির্মম সত্য। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে চলে সকাল ৮টার আগ পর্যন্ত। নামে মানুষ বিক্রির হাট হলেও এটি শ্রমিক বা কামলার হাট নামে পরিচিত।

তবে চিরদিনের জন্য এখানে বিক্রি হয় না মানুষ। একটি দিনের কয়েক ঘন্টা নিজেকে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করাই তাদের পেশা। এই হাটে নিজেকে বিক্রির মাধ্যমে শ্রমের কষ্টার্জিত টাকা দিয়েই চলে এসব মানুষ সংসার।হাটে আসা শ্রমজীবীরা কখনো ভালো দামে নিজেকে বিক্রি করেন আবার কখনো হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন। তবে চলতি বোরো মৌসুমে এই হাটে আসা শ্রমিকেরা নিজেকে বিক্রি করছেন উচ্চমূল্যে। দেড়মণ ধানের দামে কেনা হচ্ছে একজন কৃষি শ্রমিক।

অধিক দামে শ্রমিক কিনতে গিয়ে কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। ১৪০০-১৬০০ টাকায় শ্রমিক কিনতে গিয়ে অনেক কৃষক আগামীতে ধানের আবাদ করবেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যশোরের কেশবপুরের মূলগ্রামে মানুষ বিক্রির হাট ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিন সোমবার ভোরে উপজেলার মূলগ্রাম বাজারে মানুষ বিক্রির হাটে গেলে দেখা যায়, ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শত শত কৃষি শ্রমিক কাঁচি, বাখ-দড়ি নিয়ে বোরো ধানের ক্ষেতে শ্রম দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসেছেন। বোরো মৌসুমে এসব শ্রমিকেরা ধান কাটা, বাধা, বাথে করে কৃষকের বাড়িতে পৌছে দেওয়া, ঝাড়াই করা, বিচালী গাদা দেওয়াসহ অন্যান্য কাজ করে থাকেন।

শ্রম বিক্রি করতে আসা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তি বলেন, সকাল ৬টার দিকে কাজ করার জন্য এখানে এসেছেন। বাখে করে ধান বয়ে আনার জন্য ১৬০০ টাকা দাম চেয়েছেন। অন্য সময় ৫০০ টাকার বিনিময়ে শ্রম দিতেন। ধানের মৌসুম হওয়ায় এবার বেশি দামে বিক্রি হচেছ।ওই স্থানে শ্রমিক কিনতে আসা উপজেলার মূলগ্রামের কৃষক আলাউদ্দীন বলেন, এক বিঘা জমির ধান ক্ষেত থেকে বিচালী বেঁধে আনার জন্য ২০ জন শ্রমিক কিনেছেন জনপ্রতি ১৪০০ টাকা দরে। কাজ করবে ৭টা থেকে ১টা পর্যন্ত। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই স্থানে দূর-দূরান্ত থেকে শ্রমিকেরা শ্রম বিক্রির উদ্দেশ্যে আসেন।

ধান চাষী রুহুল আমিন বলেন, এখানে মানুষ বেচা-কেনা হয়। একদিন বা এক সপ্তাহের জন্য মানুষ বিক্রি হয়। দুই বিঘা জমির ধান কাটার জন্য শ্রমিক কিনতে এসেছেন। জনপ্রতি ১৫০০ টাকা চাচ্ছে। দু’দিন আগে এই হাটে ১৭০০-১৮০০ টাকায় শ্রমিক বিক্রি হয়েছে। ধানের মৌসুম হওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ দামে শ্রমিক কিনতে হচ্ছে।ধান চাষি মফিজুর রহমান বলেন, শ্রমিক কিনতে এসেছিলাম। দাম চাচ্ছে ১৬০০-১৮০০ টাকা। কাটা প্রতি ১ জন শ্রমিক লাগছে। আমরা কৃষক কী করে বাঁচবো। ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১০০০-১১০০ টাকা। ধানে যদি দাম না বাড়ে আমরা কিভাবে শ্রমিকের টাকা দিব। আমরা কোন পথ খুঁজে পাচ্ছিনে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে ধান আবাদ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। কেশবপুর উপজেলা আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বলেন, তারা মোটা ধান ১০০০ টাকা এবং চিকন ধান ১০৮০ থেকে ১১০০ টাকা দরে কিনছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, কেশবপুর উপজেলায় এবার বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ হাজার ৩৫০ হেক্টর। এ পর্যন্ত ৪০ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে। কয়েকদিনের ভেতর কৃষকেরা তাদের আবাদকৃত সকল ধান ঘরে তুলতে পারবেন। ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিকদের চাহিদা অধিক থাকায় বেশি দামে শ্রম বিক্রি হচ্ছে। প্রায় একই সাথে কাটতে হয় সেকারণে শ্রমিকের দারুণ অভাব হয়।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।