1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
লোহাগড়ায় একসময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন গাছেই নষ্ট হচ্ছে - Khulnar Khabor
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
মোল্লাহাটে উপজেলা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে খালের কালভার্ট থেকে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ কেশবপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত দিঘলিয়া উপজেলার ৪ ইউনিয়নে মশা নিধনে নেই কার্যকর পরিকল্পনা যশোরে নবগঠিত কেন্দ্রীয় যুবদলকে স্বাগত জানিয়ে জেলা যুবদলের আনন্দ মিছিল দিঘলিয়ার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ভৈরব সেতু নির্মাণ কাজ নানা জটিলতায় আটকে ভারতে আটককৃত বাংলাদেশি জেলেদের গ্রহণ ও পরিবারের নিকট হস্তান্তর রাতের আধারে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট লোহাগড়ায় একসময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন গাছেই নষ্ট হচ্ছে লোহাগড়ায় ইছামতির বিলে মাছ ধরতে করতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু, অপর এক কৃষক আহত যশোরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা ডুমুরিয়ায় জিয়া সাইবার ফোর্স-জেডসিএফ ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মালিকানা হালনাগাদ, ‘মোল্যা ফার্মেসি’ এখন ‘জসিম মোল্লা ফার্মেসি’ মেসার্স মোল্যা ফার্মেসি (ড্রাগ লাইসেন্স নং- ডিএল ১১২৪)-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রোপাইটর মো. আফতাব মোল্লার পরিবারের সম্মতিক্রমে প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বর্তমান প্রোপাইটর মো. জসিম মোল্যার নামে হালনাগাদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘মোল্যা ফার্মেসি’ থেকে পরিবর্তন করে ‘জসিম মোল্লা ফার্মেসি’ রাখা হয়েছে। কেশবপুরে সপ্তাহিক দেশ জনতার কথা পত্রিকার মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা নড়াইলের লোহাগড়ায় মাঠে গরুকে পানি খাওয়াতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু মৎস্যজীবী দলের সভা অনুষ্ঠিত যশোর বাঘারপাড়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত আহত ১ পারিবারিক কলহে ফেজবুক লাইভে এসে যুবকের আত্মহত্যা মোরেলগঞ্জে যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ কেএমপির বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৬২ জন গ্রেফতার

লোহাগড়ায় একসময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন গাছেই নষ্ট হচ্ছে

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ২৮ বার শেয়ার হয়েছে

মোঃ আলমগীর হোসেন , নড়াইল প্রতিনিধি।।নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও রাস্তার পাশে, বাড়ির আঙিনা ও পতিত জমিতে সারি সারি দেশি খেজুরগাছ আজও দেখা যায়। এসব গাছে থোকায় থোকায় খেজুর ধরলেও বর্তমানে মানুষের আগ্রহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ খেজুর গাছেই পেকে নষ্ট হচ্ছে। দেশী পাঁকা খেজুর এখন পাখিদের খাবারের অন্যতম উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ দেশী খেজুর ফল মিষ্টি, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক আগেও দেশি খেজুরের আলাদা কদর ছিল। বাজারে এসব খেজুর বিক্রি হতো এবং অনেকেই লবণ মিশিয়ে কয়েক দিন রেখে পাকিয়ে খেতেন। সুস্বাদু এই ফলটি তখন গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনে মানুষের খাদ্যভ্যাসের সেই চিত্র এখন অনেকটাই অতীত।
বদলে যাচ্ছে দৃশ্যপট। দেশী খেজুর এখন এক অনাদর আর অবহেলার ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, খেজুরগাছে থোকায় থোকায় ফল ঝুলতে দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। অথচ বর্তমানে অধিকাংশ খেজুর গাছেই নষ্ট হচ্ছে। একসময় মানুষ আগ্রহ নিয়ে এসব খেজুর সংগ্রহ করে খেতেন। এ ছাড়া এসব গাছে কোনো কীটনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না এবং বিশেষ যত্ন ছাড়াই ভালো ফলন পাওয়া যায়।

মাঠে কাজ করতে আসা মোঃ সাহেব আলী বলেন, ‘বর্তমানে দেশি খেজুর মূলত পশুপাখির খাবারে পরিণত হয়েছে। মানুষ খুব একটা খায় না। অথচ এতে প্রচুর ভিটামিন ও পুষ্টিগুণ রয়েছে বলে শুনেছি। তাই এ ফল খাওয়ার অভ্যাস বাড়ানো উচিত।’

লোহাগড়ার আমাদা কলেজের প্রভাষক ও সিনিয়র সাংবাদিক রূপক মুখার্জি বলেন, ‘ছোটবেলায় গাছ থেকে পেড়ে অনেক খেজুর খেয়েছি। তখন লবণ মিশ্রিত পানিতে দুই-তিন দিন রেখে খেজুর পাকিয়ে খাওয়ার প্রচলন ছিল। জব আর খেজুর মিলে জবের ছাতু খেয়েছি মামা বাড়িতে গিয়ে। কিন্তু এখনকার প্রজন্মের মধ্যে সেই আগ্রহ আর দেখা যায় না।’

লোহাগড়ার মশাঘুনি গ্রামের মোঃ সাইফুল ইসলাম মল্লিক বলেন, ‘আগে ছোট-বড় সবাই দেশি খেজুর খেত। এখন আর তেমন কাউকে খেতে দেখা যায় না। খেজুরের আঁটি বড় হওয়ায় শাঁস তুলনামূলক কম হলেও এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে একসময় এর বেশ কদর ছিল।’লোহাগড়া বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইন্জিঃ রাজু আহম্মেদ বাপ্পি বলেন, নড়াইল অঞ্চলে রাস্তার ধারে অসংখ্য খেজুরগাছ রয়েছে। বেশির ভাগ গাছেই প্রচুর খেজুর ধরেছে। কিন্তু সেগুলো ঝরে পড়ে বা গাছেই পেকে নষ্ট হচ্ছে। মাঝেমধ্যে দু-একজন সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে পাকিয়ে খায়।’

লোহাগড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন, ‘খেজুরসহ দেশি মৌসুমি ফলগুলো খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এসব ফলে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং ক্ষতিকর কোনো দিক নেই। তাই দেশি ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।’ লোহাগড়া উপজেলায় খেজুর গাছের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো, এ গুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নিবো এবং নতুন করে দেশীয় খেজুর গাছ রোপনে কৃষকদের উৎসাহ দিবো।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।